রাজ্যে সরকার নয়, ক্লাব চলছে: বুদ্ধদেব

Update: January 22, 2013 19:20 IST

রাজ্য সরকারের সঙ্গে এবার ক্লাবের তুলনা করলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বাখরাহাটে বামফ্রন্টের সমাবেশ মঞ্চ থেকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টার্যের কটাক্ষ, ক্লাব চালানো আর সরকার চালানো এক নয়। রাজ্যে এখন সরকার নয় ক্লাব চলছে।

মেদিনীপুর-পুরুলিয়ায় ইস্পাত কারখানা,  নন্দীগ্রামে পেট্রো রসায়ন প্রকল্প, কাটোয়ায় তাপবিদুত্ প্রকল্প, সল্টলেকে ইনফোসিস ক্যাম্পাস। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের আমলে শুরু হওয়া একের পর এক প্রকল্পের কাজ মুখ থুবড়ে পড়েছে রাজ্যে পালাবদলের পর।  সরকারের জমি অধিগ্রহণ না করার নীতি ফলে তৈরি হচ্ছেনা রাস্তা, শেষ করা যাচ্ছে না বিদুত্ প্রকল্পের কাজ। অথচ প্রতিদিনই সাফল্যের খতিয়ান দিয়ে কাগজে বিজ্ঞাপন দিচ্ছে রাজ্য সরকার। বাখরাহাটের বাম সমাবেশ মঞ্চ থেকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর তোপ কাজে নয় বিজ্ঞাপনেই বিশ্বাসী রাজ্য সরকার।

Post Your Comment

Total Comments:9

বুদ্ধবাবু আপনি সঠিক কথাই বল্‌ছেন। আপনি সবঘাট ঘুরেছেন। ক্লাব, খোঁয়ার, সুরীখানা আপনার বিচরণ সর্বত্র। এত বছর বয়সেও যেটা শেখেন্‌নি সেটা হলো কম্যুনিষ্টসুলভ একটা আলোচনা বা বক্তৃতা দিয়ে সাধারণ মানুষকে সমাজ সচেতনতার প্রতি আকৃষ্ট করতে। আর আপনাদের দ্বারা ওটা হবেও না। কারণ শুধু সাদা পোষাক পরলেই নিজেকে স্বচ্ছ প্রমান করা যায় না। এবার মানে মানে কেটে পড়ুন মানুষ আপনাকে উন্মাদ বৈ কিছু ভাববে না। `` শ্রাদ্ধান্তে সুবীর``

@kumar...haa thik boleche...trinovosi raa chup thaken..ar harmad rraa bhuk khule ghure berai....trinovosi ra gash khay r harmad ra blood...seta anekei sikar kore naa...

@kumar.....gayer jore vote hole 34 keno 100 bochor thaka jai...nehat congress (central) support tule niyechilo...tai 34 bochorer besi agolo naa....

  • Kumar
  • Posted: 1/23/2013 4:05:25 PM

৩৪ বছর গায়ের জোর চললে , ৩৫ বছরে শক্তিশালী লোকগুলো দুর্বল হয়ে গেল কি করে? কোনো মুর্খ মিথ্যাবাদী মহিলার এই সমস্ত মিথ্যা শুনে কিছু লোক ভুল বুঝেছিলেন , তাই এই `হাতি ` বা `রাজা `-টি আজ দেশ শাসন করছে এবং সবাইকে `কুত্তা` বা `কুকুর` ভাবছে । এটা বাঙালী জাতির লজ্জা , তবে বহু লোক প্রকাশ্যেই নিজেদের ভুল স্বীকার করছেন , শুধু কিছু তৃণভোজী সমাজবিরোধী এখনো এই জাতির কলঙ্কের পিছনে ঘুর ঘুর করে বেড়াচ্ছে কারণ তারা বেশ দু পয়সা কমিয়ে নিচ্ছে । তবে তাদেরও বিদায় ঘন্টা বাজতে দেরী নেই ।

rajye club cholche na ki cholche janina.tabe ei tuku bolte pari ``MANUSH VUL BUJHTE PARCHE``

buddha daa...apnara mohan neta jara 34 bochor bangla ke club er opare tulechen....boli hari apnader supporter r apnader harmad der....akhon club cholche...age harmad der hukumi cholto..

  • Kumar
  • Posted: 1/23/2013 12:03:07 PM

নির্মল বাবু , সব থেকে আশ্চর্য্য ব্যাপার হলো ৩৪ বছরের হার্মাদদের হুকুমি সত্বেও লোকে তাদের ভোট দিয়েছে আর এই উন্মাদের রাজত্বে দেড় বছরেই লোকে ত্রাহি ত্রাহি রব ছাড়ছে - এর মধ্যে বহু পরিবর্তন পন্থী ` বিদ্বজ্জন` -ও আছেন যাদের নানারকম সরকারী পদ দেওয়া হয়েছিল । বলতে পারেন ৩৪ বছর ধরে লোকে হার্মাদ সহ্য করে দেড় বছরেই উন্মাদদের ঘৃনা করতে শুরু করলো কেন ? অবশ্য আপনি উত্তর দিতে নাও পারতে পারেন কারণ এখন কিছু সমাজবিরোধীরা এই পরিবর্তিত উন্মাদ রাজত্বে লুটেপুটে খাচ্ছেন এবং খুব সুখে আছেন ।

5 ta bochor nosto hobe ei ja.. kintu ferot anau buddhake... within 5 yrs he will chng the face of bengal.....i dont stay in kolkata..aar kono raasta nei for us...

club bolle bhulhobe akta bhalo club ar singkhala aache

Buddha Babur chinta 100% satya. rajyar janaganar nijer bhul abar bojha darkar. paribartan anibarja.

I like this....

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।