`সততা` বিতর্কে যুযুধান দুই পক্ষ

Update: February 6, 2013 23:40 IST

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সত্‍, একথা তিনি মানেন না। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের বিরোধিতায় এবার পাল্টা আক্রমণে নামলেন তৃণমূল নেতারা।

মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর সততা নিয়ে গোটা দেশে কোনও প্রশ্ন নেই। অথচ মানুষ নির্বাচনে যাকে প্রত্যাখ্যান করেছেন, সেই বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এসব প্রশ্ন তুলছেন। সেই কারণে  প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর মানসিক ভারসাম্য নিয়েই প্রশ্ন তুললেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী।

অন্যদিকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দাঁড়ালেন বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্র। মুখ্যমন্ত্রীর সততা নিয়ে কার্যত প্রশ্ন তুললেন তিনি। বিরোধী দলনেতার তোপ, শুধু মনীষিদের ছবি রাখলেই সত্‍ হয় না।

মঙ্গলবার ২৪ ঘণ্টার স্টুডিওতে এক সাক্ষাৎকারে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিনি সততার প্রতীক হিসেবে ভাবেন না। সেই নিয়েই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

Post Your Comment

Total Comments:6

Bobby Janei na je shob kothay nak golate nei.

HAKIMSEHAB ``DIPAK GHOSHER`` LEKHA BOITA SOMPORKE KI KICHU BOLBEN? APNER MOHAMULYOBAN BOCHON SONAR JONYO OPEKHAI ROHILAM.

সততা কথাটা হেকিম সাহেবের দরবারে বিচার হোক!

বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিনি সততার প্রতীক হিসেবে ভাবেন না... buddha babu , apni ki nijeke dhoya tulsi pata mone koren...???

amra sabai boka...kichui bujina..neta ra ja bole setai satti...

Bujhte Badha kothay?

I DO BELIEVE THAT MAMATA IS NOT HONEST WHATEVER MAY BE HER PROPAGANDA. AN HONEST HUMAN BEING ALWAYS KEEPS HIS/HER WORD BUT SHE HAS NEVER DONE IT. IT IS TRUE THAT LEFT HAS NOT GOT SUFFICIENT SUPPORT TO FORM GOVERNMENT BUT IT DOESN`T MEANT THAT THEY ARE REFUSED. DOES FIRHAD HAKIM HAVE COURAGE TO SAY WHAT THEY ARE DOING BEING IN POWER? NO,HE IS COMPELLED TO FLATTER MAMATA TO KEEP HIS OWN EXISTENCE SAFE. RULING PARTY`S DISHONESTY IS FATHOMLESS.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।