গুয়াহাটির শ্লীলতাহানি, পুলিসকে আল্টিমেটাম মুখ্যমন্ত্রীর

Update: July 14, 2012 17:29 IST

গুয়াহাটির ব্যস্ত রাস্তায় তরুণীর শ্লীলতাহানির ঘটনায় দোষীদের ধরতে পুলিসকে দু`দিনের সময়সীমা বেঁধে দিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দোষীদের গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। গতকালই স্পেশাল টাস্কফোর্স গঠন করে ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

গুয়াহাটির প্রকাশ্য রাস্তায় এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানির ঘটনায় ২০ জনের মধ্যে এ পর্যন্ত ১৩ জন দুষ্কৃতীকে চিহ্নিত করা গিয়েছে। কিন্তু ঘটনার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও, মাত্র ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিস। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জাতীয় মহিলা কমিশন।

গোটা ঘটনায় পুলিসি নিষ্ক্রিয়তা ও কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে সরব হয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও মানবাধিকার সংগঠন। প্রশ্ন উঠেছে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও। কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অম্বিকা সোনিকে এবিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, শ্লীলতাহানির সংক্রান্ত খবর পরিবেশনে সংবাদমাধ্যমকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।

সোমবার রাতে জিএস রোডের একটি পানশালা থেকে এক তরুণী তার বন্ধুকে নিয়ে বেরোনোর সময় মুখোমুখি হয় একদল দুষ্কৃতীর। প্রথমে তাকে উত্যক্ত করা হয় এবং পরে শুরু হয় নির্যাতনের পালা। মেয়েটি সাহায্য চেয়েছিল, কিন্তু পায়নি। বরং ঘটনাস্থলে উপস্থিত গুয়াহাটিবাসীর একাংশ তাঁর লাঞ্ছনা মোবাইল-বন্দি করতেই বেশি ব্যস্ত ছিলেন।
ঘটনাচক্রে ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় বিষয়টি নজরে আসে সাংবাদিক মুকুল কলিতার। শেষে তাঁর হস্তক্ষেপে পুলিশ এসে একাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে। অভিযুক্ত ১৬ জনের মধ্যে মাত্র ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মূল অভিযুক্ত অমরজ্যোতি কলিতা এখনও ফেরার।

কিন্তু ইতিমধ্যেই এমএমএস হয়ে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া ফুটেজে ১৩ জনকে স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা হলেও কেন বাকিরা অধরা? কেনই বা পুলিস থানার মাত্র সোয়া কিলোমিটার দূরে ঘণ্টাখানেক ধরে এক তরুণীর উপর অবর্ণনীয় অত্যাচার চালাতে পারল দুষ্কৃতীরা?

অসম পুলিসের ডিজি জয়ন্তনারায়ণ চৌধুরির জবাব, "পুলিস এটিএম মেসিন নয় যে অপরাধ ঘটলেই কেউ সেই মেসিনে কার্ড ঢোকাবে আর পুলিস সঙ্গে সঙ্গে হাজির হবে"। উত্তর-পূর্ব ভারতের বৃহত্তম শহরে মহিলাদের নিরাপত্তার প্রশ্নের পাশাপাশি রাজ্যের পুলিস প্রধানের এই বিতর্কিত উন্নাসিক মন্তব্যের প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে অসম গণ পরিষদ. অসম ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট, বিজেপি-সহ সমস্ত বিরোধী দল।

Post Your Comment

Total Comments:3

Vote chaoar samoi eder natok ar protishruti dekhe ei word duto o lajja pabe. Ekhon ei samosto ghatona eto berechhe je 1500 century r chokh tune newa,hat pa kete newa etc chhara esob kono bhabei atkabe na.Victim meyetir ja khoti holo tar tulonai to ei dharoner shasti kichhui noi.Kintu ei dharoner shastir katha boltei gentleman der mone pore jai eta naki sabhyo desh.Tara bhule jan deshtar sakole ekhono sabhyo hote pare ni.Barong era janowar er nicher kono element.Era sabhyo bhasa bojhe na,deser niyom kanoon mane na (antato ei sob khetre).Ekmatro charom sastir bhoi diyei eder control kora jete pare. Ar seta 20/30 years er jail noi, sorir theke kichhu kete newa jate sobdin saririk koste thakte hoi.

GUAWAHATI kande dosider kom koreo ekta pa(leg) kete newa uchit.Tobei future e ei dharoner kaj korte giye tara 20bar chinta korbe.Ba sanghatik rakomer onnorakom saririk sasti eder dorkar jate era proti khone nijer mrittu chai.Ar jatodur jani ekhon porjonto kono lame person khub actively ei sob ghatonate jorai ni,karon tara jane abostha onnodike more nile tara palate parbe na.Ulto janatar mare sekhanei hoito patol tulte hobe. Ghotonata shameful, condemnable - eisob biseson onek sunlam ar onek ghotanate suneo jachhi netader kach theke.Kintu ki korle ei samosto ghatona atkano jai ta niye sob netar mukhe salo tape keno?

The peoples of asam who are did it, is too much hertless. . . . . . . I wants to see them in the jaill soon. . .

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।