দিল্লিতে গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে ধরনা মোর্চার

Update: January 28, 2013 09:27 IST

গতকালই দিল্লি রওনা দিয়েছিলেন রোশন গিরি-সহ মোর্চার তিন বিধায়ক। আজ থেকে দিল্লির যন্তরমন্তরে গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে ধরনায় বসেছেন তাঁরা। সঙ্গে আছেন মোর্চার বেশ কিছু কর্মী সমর্থক। প্রথমে অনশন ও ধরনা কর্মসূচীর কথা ঘোষণা করেছিলেন মোর্চা নেতৃত্ব। আজকে অনশনের পরিকল্পনা বাতিল করে শুধুমাত্র ধরনায় বসেন তাঁরা।

অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রীর পাহাড় সফরের সময় মোর্চার শীর্ষ নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফরের ঠিক আগের দিন কার্শিয়ঙে মোর্চার জনসভা নিয়েও। জিটিএ গঠনের পরে মুখ্যমন্ত্রী বারবার দাবি করেছেন, পাহাড়ের সমস্যা মিটে গিয়েছে। কিন্তু রবিবার কার্শিয়াঙে মোর্চার জনসভার ভিড় আর মোর্চা নেতাদের কথা যে অন্য ইঙ্গিত দিচ্ছে।   

সোমবার শিলিগুড়িতে উত্তরবঙ্গ উত্সবের সূচনা করবেন মুখ্যমন্ত্রী। 

মঙ্গলবার সরকারি কর্মসূচিতে যোগ দিতে দার্জিলিং যাবেন তিনি। কিন্তু সেখানে থাকবেন না মোর্চার কোনও বিধায়কই। পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে দিল্লির যন্তরমন্তরের সামনে সোমবার থেকে তাঁরা ধরনায়বসেছেন। রাজ্যকে এড়িয়ে সরাসরি কেন্দ্রের কাছে দরবার করতে দলের তিন বিধায়কের সঙ্গে রবিবারই দিল্লি গিয়েছেন মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রোশন গিরি।

অস্বস্তি ঢাকতে সরকারের তরফে অবশ্য বন্দুক রাখা হচ্ছে মিডিয়ার ঘাড়ে।  

মিডিয়ার ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে পাহাড়ের শান্তি বজায় রাখতে পারবে তো সরকার? মোর্চা নেতাদের বক্তব্যে অশনি সঙ্কেতটা কিন্তু ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে।









Post Your Comment

Total Comments:1

gorkha jatike sanbidhne ie karonei choto jati bola hoy.Sobb somoy choto kaj,nongra kaj korte pochodokore, Roshan Giri, Bimal Gurung ke Wets Bengal or India r jaonogan keu chene na.gorkh jonomuktir name ora nejijederke Hero sajate chay.Kintu Bengal take Vag kore choto state baniye je Hero noy Zero hote hoy.se bodhbuddhi nei.Tai GORKHA LANDER nam koe chachay,GORKHA NETA DER JOGGYOTA nei tai oder kono kaj nei-ei karone delhi te giye time pas korche

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।