কোলগেট কেলেঙ্কারিতে কেন্দ্রের অস্বস্তি বাড়ালো সিবিআই রিপোর্ট

Update: March 12, 2013 21:39 IST

কয়লা ব্লক বন্টন নিয়ে ফের অস্বস্তিতে কেন্দ্রীয় সরকার। সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া এক রিপোর্টে  সিবিআই ব্লক বন্টন পদ্ধতিকে ত্রুটিপূর্ণ ও অস্বচ্ছ বলে মন্তব্য করেছে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, দু হাজার ছয় থেকে নয়ের  মধ্যে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং কয়লা মন্ত্রকের দায়িত্বে থাকার সময়, কোনওরকম যোগ্যতা যাচাই না করেই কয়েকটি কোম্পানিকে  কয়লা ব্লক বন্টন করা হয়েছিল। বড় বড় কোম্পানির বদলে সুপারিশের ভিত্তিতে বেছে নেওয়া হয়েছিল ছোট ছোট কোম্পানিকে।

এমনকি সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলির অর্থনৈতিক হালও খতিয়ে দেখেনি কয়লা মন্ত্রক।  রিপোর্ট যাতে কোনওভাবেই সরকারি আধিকারিকদের কাছে ফাঁস না হয় সেজন্য   সিবিআইয়ের অধিকর্তাকে  হলফনামা জমা দিতে বলেছে সুপ্রিম কোর্ট। যদিও সিবিআই রিপোর্টকে গুরুত্ব দিতে নারাজ কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার দেওয়া রিপোর্ট, চূড়ান্ত নয়। তবে, সিবিআইয়ের দেওয়া রিপোর্ট কয়লা ব্লক বন্টন দুর্নীতি ইস্যুতে বিরোধীদের নতুন করে অক্সিজেন জোগাল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।