কোকো হার্টস

Update: February 8, 2013 12:52 IST

প্রেমের প্রথম প্রস্তাব। সবার কাছেই এই অনুভূতিটা খুব কাছের, খুব নিজের। যারা প্রেমটা এখনও করে উঠতে পারেননি, কিন্তু হৃদয় উথাল-পাতাল হয়ে চলেছে কাউকে মনের কথা বলার জন্য, তারা এবার প্রথম প্রস্তাবটা দিয়েই ফেলুন। আপনার প্রিয় বন্ধুকে বাড়িতে ডেকে এনে বানিয়ে নিতে পারেন কোকো হার্টস। সঙ্গে ধোঁয়া ওঠা কফি। দেখলেন হয়তো মুখ ফুটে আর বলতেই হল না মনের কথা...

কী কী লাগবে

ময়দা- ৩ কাপ
কোকো পাউডার- ৩ টেবিল চামচ
সাদা মাখন-১ কাপ
দুধ-১ টেবিল চামচ
বেকিং পাউডার-৩/৪ চা চামচ
নুন-১/৪ চা চামচ
চিনি-১ কাপ

কুকি সাজানোর জন্য

কুচনো তেতো চকোলেট- ২ আউন্স
অরেঞ্জ মার্মালেড- ৩ টেবিল চামচ
ডিমের সাদা অংশ- ১টা, আধ চা চামচ জলের সঙ্গে ফেটানো
গুঁড়ো চিনি-হার্টসের ওপর ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য

২ বাই আড়াই ইঞ্চি হার্ট শেপের কুকি কাটার

কীভাবে বানাবেন


ময়দা, কোকো পাউডার, বেকিং পাউডার ও নুন একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। চিনি আর মাখন একসঙ্গে ইলেকট্রিক ব্লেন্ডারে ভাল করে ব্লেন্ড করে নিন। এবারে মাখন চিনির মিশ্রণে ডিম ও দুধ দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। ব্লেন্ডারের গতি কমিয়ে আস্তে আস্তে করে ময়দা মেশাতে থাকুন। মিশ্রণ ধীরে ধীরে বাটির ধার থেকে ছেড়ে এসে শক্ত মাখায় পরিণত হবে। ডো দুটো সমান ভাগে ভাগ করে ওয়্যাক্স পেপার দিয়ে মুড়ে ফ্রিজে ২ ঘণ্টা রেখে দিন।

ওভেন ১৯০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে প্রি-হিট করে নিন। চকোলেট কুচি ও অরেঞ্জ মার্মালেড একটা বাটিতে একসঙ্গে দিয়ে নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না পুরোপুরি মিশে যায়। ফ্রিজ থেকে ময়দার ডো বের করে উপরে চিনির গুঁড়ো ছড়িয়ে ১/৮ ইঞ্চি মোটা রোল বানিয়ে নিন। রোল থেকে কুকি কাটার দিয়ে ছোট ছোট হার্ট শেপের কুকি কেটে নিন। মোট ৪৮টা কুকি হবে। কুকি কাটা হলে আরও একবার ওপরে চিনি ছড়িয়ে দিন। বেকিং শিটে এক ইঞ্চি জায়গা অন্তর কুকি সাজিয়ে নিন।

কুকির ওপর এক চামচ করে চকোলেট-অরেঞ্জ মার্মালেড মিশ্রণ দিন। ধারে ১/৪ ইঞ্চি জাগয়া খালি রাখবেন। কুকির ধারে ডিমের সাদা অংশ ব্রাশ করে দিন। এবারে উপরে আরও একটা কুকি দিয়ে দুটো কুকির সাইড ভাল করে সিল করে দিন। ওভেনে ১২ থেকে ১৪ মিনিট বেক করুন। হয়ে গেলে বের করে ঠান্ড করে নিন।









Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।