রাজ্যে ডেঙ্গিতে মৃত্যু বেড়ে দাঁড়াল ১৩

Update: September 1, 2012 10:26 IST

রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গিতে মৃতুর সংখ্যা ১৩। কলকাতা এবং সল্টলেকে ডেঙ্গি
পরিস্থিতি দিন দিন আরও সঙ্কটজনক হয়ে উঠছে। লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে চলেছে
ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা। এখন পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী এই জ্বরে
আক্রান্ত হয়ে কলকাতায় প্রাণ হারিয়েছে ১১ জন  জন।শুধুমাত্র কলকাতা পুরসভা
এলাকাতেই NS 1 অ্যান্টিজেন পরীক্ষা অনুযায়ী আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজার
ছাড়িয়ে গিয়েছে। ম্যাক অ্যালাইজা টেস্টেও ধরা পড়েছে কীভাবে বেড়ে চলেছে
আক্রান্তের সংখ্যা। এই

পরিস্থিতি চলতে থাকলে কলকাতা ও কলকাতা পার্শ্ববর্তী এলাকায় ডেঙ্গি মহামারীর
আকার নেবে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। এডিস ইজিপ্টি মশা বাহিত ডেঙ্গির ভাইরাস মিউটেশনের মাধ্যমে নিজেদের জেনেটিক চরিত্র বদলে ফেলায় বদলে যাচ্ছে ডেঙ্গির সাধারণ উপসর্গ গুলো। তাতেই ঘটছে বিপত্তি। বহু ক্ষেত্রে রোগ সনাক্তকরণে দেরী হয়ে যাচ্ছে। ফলে বেড়ে যাচ্ছে রোগীদের প্রাণনাশের আশংকা। আক্রান্ত রোগীর ভারে কার্যত বেসামাল কলকাতার সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল এবং নার্সিংহোমগুলি। আইসিইউ থেকে জেনেরাল বেড-জায়েগা নেই কোথাও। ফলে চরম ভোগান্তির শিকার হ`তে হচ্ছে ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগী ও তাঁদের পরিবারদের । কলকাতার পাশাপাশি ডেঙ্গির দাপটে রীতিমতো উদ্বিগ্ন সল্টলেকের বাসিন্দারাও। তাঁরা অবশ্য সরাসরি অভিযোগের তীর হেনেছেন পুরসভার উপর। তাঁদের মতে পরিস্থিতি সামালদিতে মোটেও তৎপর নয় পুরসভা।








Post Your Comment

Total Comments:1

নেই কোথাও। ফলে চরম ভোগান্তির শিকার হ`তে হচ্ছে ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগী ও তাঁদের পরিবারদের । কলকাতার পাশাপাশি ডেঙ্গির দাপটে রীতিমতো উদ্বিগ্ন সল্টলেকের বাসিন্দারাও। তাঁরা অবশ্য সরাসরি অভিযোগের তীর হেনেছেন পুরসভার উপর। তাঁদের মতে পরিস্থিতি সামালদিতে মোটেও তৎপর নয় পুরসভা।

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।