ভারতের প্রথম ইনিংসের শেষ, পুজারাকে কুর্নিশ ওয়াংখেড়ের

Update: November 24, 2012 13:08 IST

প্রথম ইনিংস
ভারত- ৩২৭
ইংল্যান্ড-৪৪/০ (কুক-২৯ ও কমটন-১৫)

অবশেষে পরিসমাপ্তি ঘটল একটা রূপকথার ইনিংসের। মুম্বই টেস্টের দ্বিতীয় দিনে সোয়ানের বলে আউট হয়ে চেতেশ্বর পুজারা যখন প্যাভিলিয়নে ফিরে যাচ্ছেন তখন গ্যালারিতে সবাই উঠে দাঁড়িয়ে হাততালি দিচ্ছেন। দর্শকদের সঙ্গেই পুজারাকে অভিবাদন জানাল গোটা ভারতীয় ড্রেসিং রুম। ৩৫০ বলে করা ভারতীয় ক্রিকেটের নতুন তারার ১৩৫ রানের ইনিংসটিকে কোন সংখ্যার মাপকাঠিতে বিচার করা যাবেনা। বিট্রিশ বোলিং-এর সামনে নুয়ে পড়া টিম ইন্ডিয়ার পৃথিবী বিখ্যাত ব্যাটিং লাইনআপ-এর মেরুদণ্ড টাকে কার্যত একার চেষ্টায় সোজা করে দিয়ে গেলেন তিনি। মূলত তাঁর ভরসার ব্যাটের উপর নির্ভর করেই ভারতের প্রথম ইনিংস শেষ হল ৩২৭ রানে। ব্যর্থ রথী-মহারথীদের ব্যর্থতাকে কিছুটা হলেও ঢেকে দিয়ে তাঁকে যোগ্য সঙ্গত দিলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ভারতীয় টেল এন্ডারদের মধ্যে যথাসাধ্য চেষ্টা করলেন হরভজন সিং। তিনি ভারতীয় স্কোরবোর্ডে যোগ করলেন অতি মূল্যবান ২১ টি রান।

ভারতের ৩২৭ রানের জবাবে খেলতে নেমে এখনও পর্যন্ত ব্রিটিশ বাহিনীর স্কোর বিনা উইকেটে ১৬ রান। অধিনায়ক অ্যালিস্টার কুক ৮ রানে আর নিক কমটন ৮ রানে অপরাজিত আছেন।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।