ক্রমশ জটিল কর্ণাটক রাজনীতি, রাজ্যপালের দ্বারস্থ কংগ্রেস বিধায়করা

Update: July 1, 2012 09:55 IST

শুক্রবার একসঙ্গে ইস্তফা দিয়েছেন কর্ণাটকের ৯ মন্ত্রী। এই পরিস্থিতিতে ক্রমশ ঘনীভূত রাজনৈতিক সঙ্কট নিয়ে রাজ্যপাল হংসরাজ ভরদ্বাজের সঙ্গে দেখা করলেন কংগ্রেস বিধায়করা। বিজেপির দলীয় কোন্দল ঘিরে রাজ্যে পরিস্থিতি ক্রমই ঘোরালো হয়ে উঠছে বলেই মনে করেন তাঁরা। এবিষয়ে রাজ্যপালের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই গতকাল রাজ্যপালের কাছে গিয়েছিলেন বলেও জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতারা।

অন্যদিকে দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্বের জেরে উদ্ভূত পরিস্থিতি থেকে মুক্তির উপায় খুঁজছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সদানন্দ গৌড়ার অপসারণের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই সরব প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পা। এবার এই দাবি বিজেপির সংসদীয় দলের আলোচনায় উঠতে চলেছে। খনি কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ানোয় গতবছর কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে যেতে হয় বি এস ইয়েদুরাপ্পাকে। তারপর থেকেই বিদ্রোহ শুরু করেন লিঙ্গায়েত সম্প্রদায়ের এই নেতা। তাঁর ঘনিষ্ঠ জগদীশ শেট্টারকে মুখ্যমন্ত্রী করার দাবিতে সরব হয়েছেন ইয়েদুরাপ্পা। শুক্রবার সন্ধেয় সদানন্দ গৌড়ার অপসারণের দাবিতে একসঙ্গে ইস্তফা দিয়েছেন কর্নাটক সরকারের ৯ মন্ত্রী।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।