ভাবমূর্তি ফেরাতে উদ্যোগী সোনিয়া

Update: November 9, 2012 09:52 IST

দলের ভাবমূর্তি ফেরাতে উদ্যোগী হলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। জোর দিলেন  দল ও সরকারের মধ্যে সমন্বয়ে।  দিল্লির কাছে সূরযকুণ্ডে কংগ্রেসের সংবাদ বৈঠকে আজ তিনি বলেন, দল ও সরকারের মধ্যে নিয়মিত তথ্যের আদানপ্রদান জরুরি। তিনি বলেন, কখনও কখনও সরকারের কোনও কোনও সিদ্ধান্তে দলীয় নেতাদের মধ্যে অসন্তোষের সৃষ্টি হয়। সেইসব ক্ষেত্রে দুপক্ষকেই পরস্পরের মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে যাতে সমন্বয় কোনওভাবেই বিঘ্নিত না হয়।

সাম্প্রতিক কালে কেন্দ্রীয় সরকারের আর্থিক সংস্কারের সিদ্ধান্ত নিয়ে দলের মধ্যেই বহু প্রশ্ন উঠেছিল। সেই বিষয়টিকে মাথায় রেখেই সভানেত্রীর এই বার্তা বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। লোকসভা নির্বাচনের আগে, ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধাদের উপায় খুঁজে বের করতে কংগ্রেসের এই বিশেষ আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়।

দিল্লির কাছেই সুরজকুণ্ডে আজ এক আলোচনামূলক বিশেষ বৈঠকে মিলিত হন কংগ্রেসের নেতাকর্মীরা। নেতা-মন্ত্রী মিলিয়ে ৭০ জন কংগ্রেস নেতা উপস্থিত ছিলেন। দুর্নীতি-মূল্যবৃদ্ধি ও আর্থিক সংস্কারের ইস্যুতে জনমানসে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলেই মত শীর্ষ নেতৃত্বের। ২০১৪-এ লোকসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে ভাবমূর্তি ফেরানোর পাশাপাশি, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পালনের দিকেও জোর দিয়েছেন কংগ্রেস থিঙ্ক ট্যাঙ্ক। আজকের বৈঠকে সেই বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়।






Post Your Comment

Total Comments:2

Congress k Takkar Deta gala BJP k 1jot hota Hoba

Rahul Gandhi

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।