আজ রোনাল্ডোর ফর্ম বনাম মেসির জেদের লড়াই

Update: January 30, 2013 16:58 IST

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা। তারপরেই শুরু হয়ে যাবে নতুন বছরের প্রথম ‘এল ক্লাসিকো’। যা নিয়ে মাদ্রিদ থেকে ম্যানচেস্টার। কলকাতা থেকে ক্যালিফোর্নিয়া। আবেগ আর উত্তেজনায় ফুটবলবিশ্ব একাকার। ম্যাচটাই নেহাতই কোপা ডে রে কাপের সেমিফাইনাল, কিন্তু এই ম্যাচ নিয়ে মেতেছে বিশ্ব। একদিকে স্পেনের দুই বড় শহরের সম্প্রদায়গত ঐতিহ্যের লড়াই আর অন্য দিকে মেসি বনাম রোনাল্ডোর মুখরোচক দ্বৈরথটা নিয়ে মেতেছে সবাই।


গত মরসুমে কোপা দেল রে কাপের ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর একমাত্র গোলে রিয়াল ১-০ গোলে হারায় বার্সাকে। ১৮ বছর পর কোপা দেল রে শিরোপা ঘরে তোলে রিয়াল। গতবছর ফাইনালের প্রতিশোধটা এবার একটু আগেভাগেই নেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন মেসিরা। অবশ্য ডিসেম্বরে এল ক্লাসিকোতে রিয়ালকে তাদের ঘরের মাঠে ৩-১ গোলে হারিয়ে প্রাথমিক প্রতিশোধ নিয়েছে। তবে আজকের ম্যাচটা একটু অন্যরকম।

অনেকদিন বাদে এল ক্লাসিকোর কোনও ম্যাচে ফেভারিট হিসাবে নামছে রিয়াল মাদ্রিদ। কারণ ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর ফর্ম। অশ্বমেধের ঘোড়ার মতোই রিয়াল -বার্সা ম্যাচে ছুটে চলেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো৷ সেই ২০১১ -১২ মরসুমের কোপা দেল রে-কাপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে শুরু হয়েছিল এই ‘দৌড় ’৷ তার পর থেকে যত বার বার্সেলোনার মুখোমুখি হয়েছেন রোনাল্ডো প্রতি ম্যাচেই গোল করেছেন৷ ছ’ম্যাচে সাতটা৷ ‘এল ক্লাসিকো’য় ১৭ গোল করলেও এই ধারাবাহিকতা যে নেই লিওনেল মেসিরও৷

সম্ভাব্য দল

বার্সেলোনা (৪ -৩ -৩ )
-- পিন্তো , আলবা , পুওল , পিকে , আলভেস , জাভি , বুসকেতস , ফাব্রেগাস ,পেদ্রো , মেসি , ইনিয়েস্তা৷
সম্ভাব্য দল
রিয়াল মাদ্রিদ (৪ -২ -৩ -১)
-- আদান , আরবিলোয়া , ভারানে , আরবিওল , মার্সেলো , খেদিইরা , জাবি আলন্সো , কালেওন , ওজিল , রোনাল্ডো , বেঞ্জিমা৷

এল ক্লাসিকোয় মুখোমুখি দুই দল পরিসংখ্যান
--

কোপা ডেল রে কাপে--
মোট ম্যাচ-৩০
রিয়ালের জয়-১০
বার্সেলোনা জয়-১৪
ড্র--৬

সব মিলিয়ে--
মোট ম্যাচ-- ২২১
রিয়ালের জয়--৮৮
বার্সেলোনার জয়-- ৮৬
ড্র-- ৪৭

রিয়ালের ঘরের মাঠে--
মোট ম্যাচ-- ৬১
রিয়ালের জয়--২৪
বার্সেলোনার জয়--২৩
ড্র-- ১৪









Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।