নামঞ্জুর হল শিলাদিত্য চৌধুরীর জামিনের আর্জি

Update: August 13, 2012 17:45 IST

সরকারি আইনজীবীর আপত্তিতে শেষপর্যন্ত জামিন নাকচ হয়ে গেল শিলাদিত্য চৌধুরীর। সোমবার ঝাড়গ্রাম মহকুমা আদালতে এই জামিনের আবেদন জানানো হয়েছিল। শিলাদিত্য চৌধুরীর আইনজীবীর অভিযোগ ছিল তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।

শিলাদিত্য চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে যক্ষ্মা রোগে ভুগছেন। সেই কারণে তাঁর শর্তাধীন জামিনের আবেদন জানান আইনজীবী। জেল হেফাজতে থাকা শিলাদিত্য চৌধুরীর চিকিত্‍সার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক প্রিয়জিত্‍ চ্যাটার্জি। কিন্তু তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছে। চলতি মাসের ১১ তারিখ শিলাদিত্য চৌধুরীকে গ্রেফতার করে ঝাড়গ্রাম মহকুমা আদালেত পেশ করেছিল বেলপাহাড়ি থানার পুলিস। তাঁকে ১৪ দিন জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। পুলিসকে মারধর করা, নিরাপত্তাবেষ্টনী ভেঙে ভিতরে ঢুকে পড়া, আবার সেই নিরাপত্তাবেষ্টনীর মধ্যেই বহু লোক থাকার সুযোগে শিলাদিত্য চৌধুরী পালিয়ে গিয়েছেন বলে পুলিস লিখিতভাবে আদালতকে জানিয়েছে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত ২৪ ঘণ্টার সাংবাদিকদের ক্যামেরায় যে ছবি ধরা পড়েছে তা কিন্তু শিলাদিত্য চৌধুরীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলির থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। ছবি বলছে সেদিন নিরাপত্তাবেষ্টনীর বাইরেই ছিলেন শিলাদিত্য চৌধুরী। উপস্থিত সরকারি কর্মীদের গায়ে হাত তোলা বা মারধরের ঘটনা দূরে থাক, কোনও সরকারি কর্মীদের কাজে বাধা দেওয়ার ছবিও ধরা পড়েনি কোনও ক্যামেরায়। অর্থাত্‍ শিলাদিত্য চৌধুরীর বিরুদ্ধে যে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, গত বুধবার তেমন কিছুই ঘটেনি। বরং মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়ায় উচ্চপদস্থ পুলিসকর্মীরাই শিলাদিত্য চৌধুরীকে নিরাপত্তাবেষ্টনীর ভিতর দিয়ে মঞ্চের পিছন দিকে নিয়ে যান। জিজ্ঞাসাবাদ করে সন্তুষ্ট হয়ে পুলিস তাঁকে ছেড়েও দেয়। স্বাভাবিকভাবেই পুলিসের বিরুদ্ধে অতি সক্রিয়তার অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়গুলি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁর আইনজীবী।

Post Your Comment

Total Comments:6

eti poriborton!!!!!!!!!!!!!!!!!!

choooooooop. Kichu bolle jele vore debo.

শিলাদিত্য চৌধুরীর is not the first one. Tania Bharatwaj asked her uncomfortable question and west Bengal C.M. putted label of Maos. Is it janata raj or gunda raj.

Akon to comment Korteu bhoi hoi.

একে নাকি ফ্যাসিস্তরাজ বলা যাবে না ? তবে কাকে বলা যাবে , হে সুশীল পোষমানা বুদ্ধিজীবিকূল ? অর্থনৈতিক সংকট থেকে পুঁজিকে মুক্তিদিতে চলতি গণতান্ত্রিক পদ্ধতি ব্যর্থ হলে ( যা ১৯১৪ তে চূড়ান্তভাবে সংসদীয় ব্যবস্থাতে প্রকাশ হতে চলেছে ) একনায়কতন্ত্রর হাতে ব্যাটন দিয়ে গণতান্ত্রিক পুঁজি সরে দাঁড়ায় । ফ্যাসিবাদ হলো, ট্রটস্কি এবং মুসোলীনীর মতে মধ্যবিত্তের সমাজতান্ত্রিক আকাঙ্খা । এই পার্টিটার শক্তি কারা মাপলেই সব বোঝা যাবে ?

mukhomontri to HITLAR k anusoron korchen, onar sason jamanay chup kore thakte hobe, kichu bola jabe na, bolte gelaye maobadi takma diye jale vore deben, tarporeo protibad korle encounter ar order diye deben.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।