খাদ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে ফের অসৌজন্যের রাজনীতি

Update: May 13, 2012 21:21 IST

গতমাসে সিপিআইএম-এর বিরুদ্ধে বিষোদগার করে বিতর্ক সৃষ্টি করবার পর ফের একই সুরে সিপিআইএম-কে সামাজিক বয়কটের ডাক দিলেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

রবিবার মধ্যমগ্রামে এক দলীয় সমাবেশে ফের সিপিআইএম কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে যাবতীয় সামাজিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ডাক দিলেন তিনি। সিপিআইএম পরিবারে নিমন্ত্রণ বাড়ি যেতে নিষেধ করার পাশাপাশি এদিনের সভায় খাদ্যমন্ত্রী বলেন, "ওদের (সিপিআইএম) ঘ্রাণ শুঁকে আপনি বিষাক্ত হয়ে যাবেন।"

স্বাভাবিকভাবেই, তাঁর এই মন্তব্যে আরও একবার সমালোচনার ঝড় উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। সিপিআইএমের প্রাক্তন সাংসদ সুজন চক্রবর্তী `রাজনৈতিক ও সামাজিক সমস্ত দিক থেকেই বিপজ্জনক` বলে মন্তব্য করেন। অন্যদিকে, কংগ্রেস নেতা ওমপ্রকাশ মিশ্র খাদ্যমন্ত্রীর উক্তিকে `ঘৃণ্য রাজনীতির পরিচায়ক` বলে উল্লেখ করেন।

এর আগেও তাঁর এধরনের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক দেখা দেয়। গতমাসের ১৭ তারিখ উত্তর ২৪ পরগণার হাবড়ার সপ্তগ্রাম হাইস্কুলের ময়দানে তৃণমূলের এক কর্মীসভায় সিপিআইএম কর্মীদের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক না রাখা, তাদের সঙ্গে কোনও অনুষ্ঠানে না যাওয়ার কথা বললেন খাদ্যমন্ত্রী। `সিপিআইএমকে ঘৃণা করুন` বলেও রাজনৈতিক উস্কানিমূলক মন্তব্য করেন তিনি। এমনকী তৃণমূলের কর্মীদের কোনও আত্মীয় সিপিআইএম কর্মী বা সমর্থক হলে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার ওপর ফতোয়া জারি করেন খাদ্যমন্ত্রী। ওই সম্মেলনে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হাবড়া পৌরসভার চেয়ারম্যান তপতী দত্ত, হাবড়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, বারাসাতের সাংসদ কাকলি দস্তিদার এবং আরও অনেকে।





Post Your Comment

Total Comments:16

প্রাণান্তকর গরমে মাথা খারাপ হোয়ে গেছে রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের । ভালো ডাক্তার না দেখিয়ে বাড়ির বাইরে ওনার বেড়ানো উচিত নয়.ঠিক হোয়ে যত তারাতারি সম্ভব শিক্ষামন্ত্রীর সাথে যোগাযোগ কোরে আবার শিক্ষা অর্জন করুক তারপর না হয় মন্ত্রীত্য সামলাবেন. যতসব _______________

Uttar bonge Pikranjan- Dokkhin bonge jotipriyo, Akonto dekhi Trimuler cheye- Bamfronti shreyo.

Uttar bonge Pikranjan- Dokkhin bonge jotipriyo, Akonto dekhi Trimuler cheye- Bamfronti shreyo.

Uttar bonge Pikranjan- Dokkhin bonge jotipriyo, Akonto dekhi Trimuler cheye- Bamfronti shreyo.

Uttar bonge Pikranjan- Dokkhin bonge jotipriyo, Akonto dekhi Trimuler cheye- Bamfronti shreyo.

CPIM should not grouse. They are being paid back in their own coin! The minister must have taken the cue from leaders like late Joyti Basu (who disdainfully announced that he would not congratulate Atal Behari Bajpayee on his becoming PM, nor would he show respect for Mother Teresa`s funeral), Biman Bose, Benoy Konar, Anil Basu and above all Aamra-Ora Buddhadeb Bhattacharya.

this is our fault that we choose this trinamul govt in bengal. and also this type of minister.

Khadya mantri to bhaloi kajtaj korchilen. Besh jaal cardtard dhorchilen.Aamader to bhaloi lagchilo.Ta hothat kore akhon aabar mathata bigrie gelo keno?Aamader sakoler bhalobashar CM ke eta pariskar kore janabar somai hoache j aapnar voter ra ae dharaner asanglogno katha barta bola mantri fantri r chai na.Bodole paricchanna ruchir bhadra sabbha mantri niye asun. Nahole kintu sesher sedin bhayankar hobe.Namoskar.

Khadya mantri to bhaloi kajtaj korchilen. Besh jaal cardtard dhorchilen.Aamader to bhaloi lagchilo.Ta hothat kore akhon aabar mathata bigrie gelo keno?Aamader sakoler bhalobashar CM ke eta pariskar kore janabar somai hoache j aapnar voter ra ae dharaner asanglogno katha barta bola mantri fantri r chai na.Bodole paricchanna ruchir bhadra sabbha mantri niye asun. Nahole kintu sesher sedin bhayankar hobe.Namoskar.

উত্তম নিশ্চিন্তে চলে অধমের সাথে, তিনিই মধ্যম, যিনি থাকেন তফাতে।

joytipryo babu sanbidhan er sapoth nye minister hoyechhen bole mone hoi na............ Joyti babu apnarao kom kichhuna karon muslim nidhonkari party er hat dhore amader rajje padma ful futiye chilen & narendra modi der songe central govt e ghar sansar korechhen.

এরা কথায় কথায় রবীন্দ্রনাথ, বিবেকানন্দ,রামকৃষ্ণ দেবের কথা বলে ।। তাঁরা কি বলে গেছেন যে বিরোধীদের ঘৃণার চোখে দেখুন । সিপিএম সমর্থক এর ছোট্ট মেয়েকে টিউশণ পড়াতে যেতে তৃণমূলী মাস্টারমশাইকে বাধা দেওয়া হচ্ছে । ছিঃ , এর নাম পরিবর্তন .............?

একটা ব্যপার আমার মনে হয় উনি অসুস্ত বা মানসিক ভার সাম্য হারিয়েছেন বা উনার নেত্রীর আদেশে উনি বলছেন.প্রথম ব্যপার যদি হয় তাহলে উনার অবিলম্বে বিদেশে গিয়ে ভারতীয় জনগনের সঙ্গে সংসপ্র্সো না রেখে থাকা উচিত.দিতীয় ব্যপার যদি হয় তাহলে উনাকে অবিলম্বে মানসিক ডাক্তার দেখন উচিত,কারণ এইসব প্রলাপ বলতে বলতে নিজের পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কহ চিন্ন্য হয়ে যাবেন.তৃতীয় ব্যপার যদি হয়তাহলে উনাদের দল নেত্রী কে কালবিলম্ব নাকরে মানসিক চিকিত্সকের সরনা পর্ণ হওয়া দরকার.জতিপ্রিয় আজ যা বলেছেন তা আগের দিনের চাইতে ও বিপদ এবং দিনের পর দিন উনার মানসিক বিকৃতি বেড়ে চলেছে.উনার ক্ষমতা আছে উনার এই হটকারী উপদেশ কাওকে সোনাতে পারবে.উনার নিজের কোনো সমর্থক নেই যা আছে দিদির তার উপর ভর করে উনার পথ চলা .যদি উনি সত্যকারের টি এম সির সমর্থক হন তাহলে রাজ্য সভা বা লোক সভায় উনাদের বিরত থাকতে হবে.যদি পারেন তাহলে বুজব উনি বাপকা বেটা.সর্বশেষ মাননীয়া মুখ্য মন্ত্রী আপনি যতই প্রিয়র দিকে একটু নজর দিন.

@@[1:[0:1: uni onar ei monttobber modhhe diye oporinoto raajnoitik budhhi somponno manush hishabe nije k porichoye dilen. ]]

@@[1:[0:1: uni onar ei monttobber modhhe diye oporinoto raajnoitik budhhi somponno manush hishabe nije k porichoye dilen. ]]

মন্ত্রি হওয়ার কোন যোগ্যতা নেই।

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।