পচনন্দাকে খুইয়ে ববির মতকেই প্রধান্য মমতার

Update: February 14, 2013 23:21 IST

একজন প্রিয়। আরেকজন অতিপ্রিয়। দু'জনের মধ্যে বেছে নিতে গিয়ে শেষপর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পাল্লাভারী রইল তাঁর অতিপ্রিয় ববি হাকিমেরই। প্রকাশ্যে গার্ডেনরিচকাণ্ডে অভিযুক্ত মহম্মদ ইকবাল ওরফে মুন্নার পাশে দাঁড়িয়েও রয়ে গেলেন ববি হাকিম। আর শাস্তির কোপ গিয়ে পড়ল পুলিস কমিশনারের ওপর। সরিয়ে দেওয়া হল কলকাতার পুলিস কমিশনার রঞ্জিত কুমার পচনন্দাকে।    
 
পচনন্দার অপসারণ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "অ্যাকশন নিতে দেরি হয়েছে বলে, আমাকে এই অ্যাকশনটা নিতে হয়েছে।" রাজ্যপাল জানিয়েছেন, "আমি মনে করেছিলাম অধিকাংশ অভিযুক্তকেই গ্রেফতার করা হয়েছে..." অন্যদিকে, ঘটনার পরপরই মন্ত্রী ববি হাকিম দাবি তোলেন, "যাঁরা মারপিঠ করেছে, যাঁরা গুলি করেছে, তাঁদেরকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।" ববি এর সিপি বতর্কে রাজ্যপালের মন্তব্য, "পুলিস কমিশনারকে সরানোর অনেক কারণ থাকতে পারে। গত কয়েকদিনের ঘটনার জেরে যদি তাঁকে সড়ানো হয়, তাহলে এটা স্পষ্ট যে, কোথাও একটা ভুল হয়েছে।"
 
রাজ্যপাল বা পুরমন্ত্রী দু'জনেই বলছেন, অভিযুক্তদের ধরা হয়েছে। অর্থাত্‍ অ্যাকশন নিয়েছে পুলিস। তবু মুখ্যমন্ত্রীর মত ব্যবস্থা না নেওয়াতেই কোপ পড়ল পচনন্দার ওপর।
 
তাহলে কেন পচনন্দাকে সরিয়ে দেওয়া হল? ঘটনাপ্রবাহ বলছে, গার্ডেনরিচে কলেজ নির্বাচন ঘিরে গুলি চলে, মৃত এসআই। নিজের বাহিনীর মনোবল বাঁচাতে মুন্নাকে গ্রেফতারের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন নগরপাল। পুরমন্ত্রী কিন্তু তাতে নারাজ। শেষপর্যন্ত নগরপালকেই সরিয়ে পুরমন্ত্রীর পক্ষে দাঁড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী। যদিও কারণ হিসেবে বলছেন, "অ্যাকশন নিতে দেরি হয়েছে বলে, আমাকে এই অ্যাকশনটা নিতে হয়েছে।"
 
অ্যাকশন নিয়েছেন। তবু অ্যাকশন নিতে দেরি হওয়ার অভিযোগ তুলে নগরপালকে সরিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু বারবার যিনি পুলিস অ্যাকশনে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন, পুলিসি তদন্তকে ভুল পথে চালানোর চেষ্টা করেছেন, এমনকি হামলার নেতৃত্ব দেওয়া মহম্মদ ইকবাল ওরফে মুন্নাভাইকে প্রকাশ্যেই আড়াল করার চেষ্টা করেছেন সেই ফিরহাদ ওরফে ববি হাকিম থেকে গেলেন নিজের পদেই। অতিপ্রিয় ববিকে বাঁচাতে প্রিয় নগরপালকে সরিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। 






Post Your Comment

Total Comments:13

এটি গণতান্ত্রিক নয়, এটি একটি এক নায়ীকা তান্ত্রিক শাসন. ``নায়ীকা তান্ত্রিক`` নিয়ম ঈ হল যদি আপনি একজন মানুষকে সব ক্ষমতা প্রদান করেণ,তবে সবকিছু সম্ভব.

দেবানন্দ যে বিবেকানন্দের কেউ নয় সেটা জানি । কিন্তু পচানন্দ কি মঠের কেউ ? কালিঘাটেই থাকতেন শুনেছি ।

K J ONAR KOKHON PRIYO BOJHA MUSKIL.

মুন্না আর ইকবাল / ধরেছে রাজ্যের হাল / মাথায় আছেন ববি / হেকিম তিনি নন /জানেন দিদির লবি /পাড়ায় পাড়ায় উতসব /দিদি আঁকেন ছবি /দাড়ির কোনও কাজ নেয় /গোসায় আর নন কবি / তোলা তোলার নতুন রীতি/ করেছেন দিদি রপ্ত / লিওনার্দো, পিকাসো /সবাই দিদির ভক্ত/রাহাজানি ধর্ষণ চলছে রাজ্যে মন্দা/ দিদির অ্যাকশনে পদ দিল হতভাগা পচনন্দা/চোর ডাকাত গুন্ডা চালায় রাজ্য পাঠ / আমরা বাঙালি কপাল ঠুকছি...`` কাকে দিয়েছি রাজার পাঠ????``

Bobi` r mobile call records check korle bojha jabe - munnar sathe bobir ki relations - Idiot Boby

``অ্যাকশন নিতে দেরি হয়েছে বলে, আমাকে এই অ্যাকশনটা নিতে হয়েছে।``ah!!ah!! ki quick action ``after 52hrs .

Kajer Somoy kajee, kajj furale pajee . . .

Samajbirodhira mukh khuleo par,Damayanti,Pachnandar sukormeo har....

Swabhabik ghatona. CP maney ``Characterless Personality`` Jake Didir dorkar nei kintu onar treatment er jonno Hakim k to thaktei hobe.

Swabhabik ghatona. CP maney ``Characterless Personality`` Jake Didir dorkar nei kintu onar treatment er jonno Hakim k to thaktei hobe.

লালকমল আর নীলকমল (ঠাকুমার ঝুলি) একদেশে এক রাজা ছিলেন । তাঁর দুই রানি । মানুষ রানি আর রাক্ষুসি রানি । মানুষ রানির ছেলের নাম কুসুম আর রাক্ষসি রানির ছেলের নাম ভীম । ............... রাক্ষসি রানির সব সময় লোভ ঐ সতীনের ছেলে কুসুমের উপর । কি করে ওকে খাওয়া যায় এই কথে ভেবেই ওর জিব দিয়ে লালা ঝরে ।............ রাক্ষসির হাসির শব্দে ভীম জেগে উঠল । দেখলো দাদাকে ওরই মা কেমন চিবিয়ে চিবিয়ে খাচ্ছে । ......... রাক্ষসির তখন কি ভয়ঙ্কর মূর্তি ......... রাক্ষসি রানি অন্যসব রাক্ষসিদের দিকে তাকিয়ে বলল, “তোঁরা সঁব দেঁশে ফিঁরে যাঁ । আঁমি এঁকা শুঁধু এঁখানে থাঁকবো” ।......... রাক্ষসিদের হাঁটা চলায় রাজপ্রাসাদ কেঁপে উথল । রাজপুরীর চূড়া ভেঙে গেলো ......... পরদিন থেকে রাজ্যে হুলুস্থল পড়ে গেল । ঘরে ঘরে মানুষের হাড়ের ছড়াছড়ি । রাজ্যে শুধু রাক্ষসিদের ভীড় বাড়লো । সব মানুষ ভয়ে রাজ্য ছেড়ে পালাতে লাগল । রাজাই শুধু রয়ে গেল । রাজার রাজত্ব এখন শুধুই রাক্ষসিদের নিয়ে । ( জয় রাজা নারায়ন- মামামামুর জয় হোক)

parabarti prajanmo ke balbo IPS IAS na hoe Neta bano tate sanman ba service jabe na.

People, even media, seems to have forgot that Mamota once blamed Pochanonda for biting her & tearing her sari!!!

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।