সিপিআইএম কর্মীকে পিটিয়ে খুন, অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

Update: February 24, 2013 16:11 IST

জমি জরিপের কাজে বাধা দেওয়ায় এক সিপিআইএম কর্মীকে পিটিয়ে খুন করল দুষ্কৃতীরা। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার রায়দিঘির তেইশেরলাট এলাকায়। নিহতের নাম গোপাল মাকাল। গোটা ঘটনায় অভিযোগের তির তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

শনিবার সকালে বাড়ির সামনের জমিতে কাজ করছিলেন স্থানীয় সিপিআইএম কর্মী গোপাল মাকাল। বেলা বারোটা নাগাদ হঠাত্ই জমি জরিপের অজুহাতে, জন্য কিছু লোক সেখানে উপস্থিত হয়। এরপর জমি জরিপে বাধা দেওয়ায় হঠাতই তারা হামলা চালায় গোপাল মাকালের ওপর। লাঠির ঘায়ে গুরুতর আহত হন গোপাল মাকাল। গোপালবাবুকে রায়দিঘি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় তাঁর।

গোটা ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। মথুরাপুর দুই নম্বর পঞ্চায়েতের সহ সভাপতি বিনোদ সর্দারের নেতৃত্বেই এই হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ।

যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

গোপাল মাকালের পরিবারে তরফে রায়দিঘি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

Post Your Comment

Total Comments:1

Hi Indian C.P.I (M) leaders do you want to fake me. I know Joti Basu was fake with Bangladesi girl in his life. For this He made so many faking places like Sonagachi at Shobha Bazar, Central park at Salt Lake, Vaidik village and Aquatike at Rajarhat. Any C.P.I (M) Leaders can fake me. Now I am in Kolkata . Call me via agent! (1) Khakan 9830476973 (2) Shyam 9836235146 (3) Biswajit 9874443328 (4)Radha 9051813536 (5) Deepika 9830298655

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।