পেট্রোলের বর্ধিতমূল্য প্রত্যাহার, এক সুর সিপিআইএম ও তৃণমূলের

Update: May 31, 2012 21:53 IST

পেট্রোলের দাম কিছুটা কমতে পারে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই লিটারপিছু ১ টাকা ৬০ পয়সা দাম কমতে পারে। কিন্তু আজ ডায়মন্ডহারবারে এক অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আংশিক প্রত্যাহার যথেষ্ট নয়। কেন্দ্রকে বর্ধিত মূল্য সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করতে হবে। তবে তাঁর এই অবস্থান নিয়ে দ্বিচারিতার অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্র। 

পেট্রোলের রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধির প্রসঙ্গে বাম-ডান বিরোধী দলগুলোর চাপে ইতিমধ্যেই রীতিমতো কোণঠাসা কেন্দ্রীয় সরকার। তবে পেট্রোলের মূল্যবৃদ্ধি প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারকে বিঁধতে ছাড়েননি ডিএমকে বা তৃণমূল কংগ্রেসের মতো জোট শরিকরাও। এই পরিস্থিতিতে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই পেট্রোলের দাম লিটার পিছু এক টাকা ষাট পয়সা কমানো হতে পারে জানিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি। তবে বর্দ্ধিত মূল্যের আংশিক প্রত্যাহারে যে  চিঁড়ে ভিজবে না তা আরও একবার স্পষ্ট করে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী।  বৃহস্পতিবার ডায়মন্ড হারবারে পলিটেকনিক কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি জানিয়ে দেন, আংশিক নয়, পেট্রোলের বর্ধিত মূল্যের পুরোটাই প্রত্যাহার করতে হবে। 
 
ইউপিএ সরকারে থেকেও তৃণমূল কংগ্রেসের এই বিরোধিতাকে নিয়ে পাল্টা কটাক্ষ করেছেন বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্র।  বৃহস্পতিবার শিলিগুড়িতে জনসভায় তিনি বলেন, একসময়ে পেট্রোলের দাম বিনিয়ন্ত্রণে ইন্ধন  জুগিয়েছিল তৃণমূল। বিরোধী দলনেতার বক্তব্য, সেক্ষেত্রে পেট্রোলের মূল্যবৃদ্ধির দায় এড়াতে পারেন না মমতা বন্দ্যপাধ্যায়।
 
তবে ডায়মণ্ড হারবারের মঞ্চ থেকে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী স্পষ্ট করে দেন কেন্দ্রীয় সরকারের বিরোধিতায় মুখ খুললেও ইউপিএ সরকার থেকে এখনই সমর্থন প্রত্যাহারের কোনও প্রশ্নই উঠছে না ।
 






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।