বাঁকুড়ার মহামিছিলে পা মেলালেন হাজার-হাজার বাম সমর্থক

Update: February 18, 2013 10:26 IST

রবিবার বাঁকুড়ার তালডাংরায় মহামিছিল করল সিপিআইএম। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে দলীয় কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতেই এই মিছিলের আয়োজন বলে জানিয়েছেন সিপিআইএম নেতারা। বৃষ্টি ও ঠাণ্ডাকে উপেক্ষা করেই মিছিলে পা মেলালেন সিপিআইএমের নেতা-কর্মী-সমর্থক। শাসক দলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগে রবিবার বাঁকুড়ার তালডাংরায় জনসভা করার কথা ছিল সিপিআইএমের। প্রথমে এই সভার অনুমতি দিলেও পরে একেবারে শেষমুহুর্তে মাদ্রাসা বোর্ডের পরীক্ষার কারণে জনসভায় মাইক ব্যবহারের অনুমতি প্রত্যাহার করে নেয় প্রশাসন।  
 
শেষপর্যন্ত তাই জনসভার পরিবর্তে মহামিছিলের সিদ্ধান্ত নেয় সিপিআইএম। তালডাংরা তিন মাথা মোড় থেকে এই মিছিল শুরু হয়। তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগে সরব ছিলেন সিপিআইএম নেতারা। প্রায় ১০ হাজার কর্মী-সমর্থক এই মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন বলে সিপিআইএম নেতৃত্ব জানান।  

Post Your Comment

Total Comments:2

bhul bujhia are katadin chalabea ekdin thik bhujta parbe banglaer manus

MITHYA PROLOVONE MANUS VUL KORECHILO, MONE HOI SAI VUL VEGYECHE.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।