হুমকির জেরে ফের বন্ধ কেশপুরের সিপিআইএম কার্যালয়

Update: July 14, 2012 16:31 IST

হুমকির মুখে ফের বন্ধ হয়ে গেল কেশপুরের আনন্দপুরে সিপিআইএমের দলীয় কার্যালয়। গত ১০ জুলাই দীর্ঘ ১৪ মাস পর ওই কার্যালয়টি খোলা হয়েছিল। গত বছরের মে মাসের বিধানসভা ভোটের পর থেকে ঘরছাড়া কেশপুরের বিভিন্ন গ্রামের বেশ কিছু সিপিআইএম সমর্থক সেখানে থাকতে শুরু করেন। কিন্তু স্থানীয় সিপিআইএম নেতৃত্বের অভিযোগ, কার্যালয় খোলার পর থেকেই ফের সেটি বন্ধ করে দেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হতে থাকে। এর জন্য তৃণমূলের বিরুদ্ধেই অভিযোগের আঙুল তোলে সিপিআইএম।

কার্যালয়ে যাওয়ার কারণে কয়েকজন সিপিআইএম কর্মীকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। এর জেরেই ফের বন্ধ করে দেওয়া হল আনন্দপুরে সিপিআইএমের দলীয় কার্যালয়। যদিও পশ্চিম মেদিনীপুরের তৃণমূল নেতৃত্বের তরফে আনন্দপুরে সিপিআইএম সমর্থকদের ভীতিপ্রদর্শন ও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।