চুঁচুড়ায় বামেদের সভায় প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ

Update: February 17, 2013 14:51 IST

ফের বামেদের সভায় প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ উঠল। এবার হুগলির চুঁচুড়ায়। বামেদের প্রকাশ্য সভায় মাইক্রোফোন ব্যবহার করা যাবে না বলে নোটিস টাঙিয়ে দিল জেলা প্রশাসন কর্তৃপক্ষ। মহকুমাশাসকের তরফে জারি করা নিষেধাজ্ঞা সভা চত্বরে টাঙিয়ে দেওয়া হয়। 

প্রশাসনের যুক্তি, পাঁচ তারিখ থেকে মাদ্রাসা বোর্ডের পরীক্ষা শুরু হয়েছে তাই সভায় মাইক্রোফোন ব্যবহার করা যাবে না। বামেদের অভিযোগ, চার তারিখ সভার অনুমতি দিয়েছিল জেলা কতৃপক্ষ, সেখানে মাইক্রোফোন ব্যবহারের বিষয়ে কোনও নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়নি।

এমনকি তারপর থেকে গতকাল পর্যন্ত মাইক্রোফেন ব্যবহারের বিষয়ে জেলা প্রশাসনের তরফে কোনও আপত্তির কথা জানানো হয়নি। বামেদের অভিযোগ, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই বামেদের সভা বানচাল করতে প্রশাসনের এই পদক্ষেপ। সিপিআইএমের হুগলি জেলাসম্পাদক সুদর্শন রায়চৌধুরী জানিয়েছেন, মাইক ব্যবহার করেই সভা করবেন তাঁরা। 

Post Your Comment

Total Comments:3

পাঁচ তারিখ থেকে মাদ্রাসা বোর্ডের পরীক্ষা শুরু হয়েছে, সমাবেশের চিঠি বামপন্থীরা দিলো ৪ তারিখ, অথচ আমদের রাজ্যের চুঁচুড়ার প্রশাসন, প্রকাশ্য সভায় মাইক্রোফোন ব্যবহার করা যাবে না বলে , মহকুমাশাসকের তরফে জারি করা নিষেধাজ্ঞা সভা চত্বরে টাঙিয়ে দেওয়া হয়। এটা কি সরকারী প্রশাসন না ক্লাব প্রশাণা, যখন জা মনে করছে প্রশাসন তাই করছে? এটাকী, সিপিআইএমের হুগলি জেলাসম্পাদক সুদর্শন রায়চৌধুরী সঠিক কথা বলেছেন মাইক ব্যবহার করেই সভা করবেন তাঁরা। আমদের সমর্থন রইলো কোমড়েড/

Bartoman sarkar ekhon bampanthider ``jaler kumir, dangar bagher`` thekeo beshi voy pach6e.

ki r korbea mamta voie peachea hooghlyr jonogon k chie chie at sarkar

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।