ব্যাপক ক্রসভোটিং কর্নাটকে, বিতর্কে পশ্চিমবঙ্গও

Update: July 22, 2012 23:29 IST

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ক্রস ভোটিংয়ের জল্পনা উস্কে দিল পশ্চিমবঙ্গ ও কর্নাটকের ফলাফল। পশ্চিমবঙ্গে আরএসপি ও সিপিআই বাদে সমস্ত রাজনৈতিক দল প্রণব মুখোপাধ্যায়কে সমর্থনের কথা জানিয়েছিল। আরএসপি ও সিপিআই ভোটদানে বিরত থাকে। তা সত্ত্বেও নির্বাচনী ফলাফলে দেখা যাচ্ছে রাজ্যের ৩ জন বিধায়কের ভোট পেয়েছেন প্রণব মুখোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বী পি এ সাংমা। তিনটি ভোট কোন কোন বিধায়কের তা নিয়ে জল্পনা দানা বেধেছে।

অন্যদিকে, কর্নাটকে বহুদিন ধরে বিতর্কিত রাজনৈতিক আবহে রেহাই পেল না রাষ্ট্রপতি নির্বাচনও। বিজেপি সরকারে থাকা সত্ত্বেও সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পেয়েছেন প্রণব মুখোপাধ্যায়। ২২০ আসনের কর্নাটক বিধানসভায় ১১৭ জন বিধায়কের সমর্থন পেয়েছেন প্রণব মুখার্জি। পি এ সাংমা পেয়েছেন ১০৩ টি ভোট। ঠিক কোন কোন বিধায়করা এক্ষেত্রে প্রণব মুখোপাধ্যায়কে ভোট দিয়েছেন তাই নিয়েও শুরু হয়েছে জল্পনা।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।