মঙ্গলের ছবি পাঠাল কিউরিওসিটি

Update: August 10, 2012 14:00 IST

মঙ্গলগ্রহের আরও কিছু রঙিন ছবি পাঠাল নাসার রোবোযান কিউরিওসিটি। নাসাসূত্রে জানা গিয়েছে, এবার গেইল ক্রেটারের দিগন্তব্যাপী ছবি পাঠিয়েছে কিউরিওসিটি। নাসার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছে, যে কটি ছবি পৃথিবীতে এসেছে, মঙ্গলগ্রহে ইতিমধ্যেই তার আটগুণ বেশি পর্যবেক্ষণ করে ফেলেছে কিউরিওসিটি। পাশাপাশি, নেভিগেশন ক্যামেরায় তোলা সাদাকালো ছবিগুলিও ডাউনলোড করতে শুরু করেছেন বিজ্ঞানীরা। কিউরিওসিটি ও নেভিগেশন ক্যামেরার ছবিগুলিকে পাশাপাশি রেখে বিশ্লেষণ করা হবে।

গেইল ক্রেটারের পাশাপাশি, মঙ্গলের কিছু নুড়ি পাথরের ছবিও এসেছে। কিউরিসিটি অবতরণের সময়েই বড় কোনও পাথরের চাঙর ভেঙে নুড়িগুলি তৈরি হয়েছে বলে বিজ্ঞানীদের ধারনা। মঙ্গলগ্রহের বিভিন্ন অংশের ছবি তোলার পাশাপাশি, সেখানে কিছু খননকাজও চালাবে কিউরিওসিটি। এতে মঙ্গলের প্রস্তরীভূত ভূপ্রকৃতির স্তরে স্তরে বিভিন্ন যুগে সঞ্চিত খনিজ মৌলের সন্ধান মিলবে। বিজ্ঞানীদের আশা, তা বিশ্লেষণ করেই জানা যাবে, মঙ্গলগ্রহে কোনওদিন প্রাণ ছিল কি না। আর থেকে থাকলে কেন  তা মঙ্গল থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেল।     

পরমাণু শক্তি চালিত রোবো যান কিউরিওসিটি আকারে স্পোর্টস কারের মতো। দৈর্ঘ্যে ১০ ফুট, প্রস্থে ৭ ফুট। ওজন ১০ টন। ঘণ্টায় ৮০০০ মাইল বেগে মোট ৩৫ কোটি মাইল পাড়ি দিয়ে মঙ্গলের মাটি ছুঁয়েছে কিউরিওসিটি। কিউরিওসিটিকে মঙ্গলে নামাতে বাহান্ন ফুট ব্যাসের সুপারসনিক প্যারাশুট ও স্কাই ক্রেন ব্যবহার করা হয়। অবতরণের আগে নাসার সঙ্গে যোগযোগ ছিল না প্রায় ৭ মিনিট মতো। অবশেষে নাসার যাবতীয় উত্‍কণ্ঠার অবসান ঘটিয়ে মঙ্গলের মাটি ছুঁয়েছে রোবো যান।

কিউরিওসিটিকে পৃথিবীতে ফেরানো গেলে মঙ্গলের ইতিহাস সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। এর ফলে মঙ্গল নিয়ে গবেষণা বেশ কয়েক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে বিজ্ঞানীদের ধারণা। অবতরণের সময় কিউরিওসিটির সমস্ত যন্ত্রাংশও আশানুরূপ কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ২৫০ কোটির এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন বহু ভারতীয় বিজ্ঞানী।






Post Your Comment

Total Comments:4

Best of luck NASA

Very Good Very Good Very Good Very Good Very Good Very Good Very Good Very Good Very Good Very Good Very Good Very Good Very Good

Best of luck ``nasa``

that`s better,

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।