আশা জিইয়ে রাখল চেক-পোল্যান্ড-রাশিয়া

Update: June 13, 2012 09:49 IST

গ্রিসকে হারিয়ে ইউরো কাপের শেষ আটে যাওয়ার রাস্তা জিইয়ে রাখল চেক প্রজাতন্ত্র। প্রথম ম্যাচে রাশিয়ার কাছে বড় ব্যবধানে হারতে হয়েছিল মিলান ব্যারোসদের। তাই গ্রিসের বিরুদ্ধে মরণবাঁচন ম্যাচে শুরুর থেকেই আক্রমণের ঝড় তোলে চেকরা। মাত্র ছয় মিনিটের মধ্যেই ২ গোলে এগিয়ে যায় তারা। চেকের হয়ে গোল দুটি করেন জিরাসেক ও পিলার। জোড়া গোলের ধাক্কা সামলে উঠতে পারেননি গ্রিস ফুটবলাররা। যদিও দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই চেক গোলকিপারের ভুলে গ্রিসের হয়ে ব্যবধান কমান জেকাস। ম্যাচের সেরা হয়েছেন চেক প্রজাতন্ত্রের পিলার।

অন্যদিকে ইউরো কাপে আয়োজক পোল্যান্ডের কাছে আটকে গেল রাশিয়া। ১-১ গোলে অমীমাংসিতভাবে শেষ হল পোল্যান্ড-রাশিয়া ম্যাচ। পোল্যান্ডকে হারাতে পারলেই প্রথম দল হিসাবে ইউরোর শেষ আটে যাওয়া নিশ্চিত করে ফেলত রাশিয়া। খেলার ৩৭ মিনিটে আর্শাভিনের ফ্রিকিকে মাথা ছুঁইয়ে রাশিয়াকে এগিয়ে দেন জ্যাগোয়েভ। চলতি ইউরোয় রাশিয়ান স্ট্রাইকারের এটি তৃতীয় গোল। পিছিয়ে পরের আক্রমনে ঝাঁঝ বাড়ায় পোল্যান্ড।শেষপর্যন্ত অধিনায়ক ব্লাসকোয়িস্কির অনবদ্য গোলে সমতা ফেরায় তারা। ২ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট পেয়ে গ্রুপ এ-র শীর্ষে থাকল রাশিয়া। রাশিয়া, পোল্যান্ড, চেক প্রজাতন্ত্র তিন দলের কাছেই সুযোগ থাকছে পরের রাউন্ডে যাওয়ার।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।