দিনেদুপুরে ভয়াবহ ডাকাতি আজাদগড়ে

Update: May 3, 2012 15:46 IST

সল্টলেকে ডাকাতির এক সপ্তাহ না কাটতেই ফের ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটল কলকাতা শহরের বুকে। দিনেদুপুরে ডাকাতি হয়ে গেল যাদবপুর থানার আজাদগড়ে। শিবাংশু দাস নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে হানা দেয় দুষ্কৃতীরা। আজাদনগরে স্থানীয় একটি বহুতলের চারতলায় সপরিবারে থাকেন শিবাংশুবাবু। তিনি বারুইপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে কাজ করেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়িতে একাই ছিলেন তাঁর স্ত্রী স্বাতী দাস। বেলা সাড়ে ১২ টা নাগাদ ২ যুবক এসে কলিংবেল বাজায়। দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গেই মুখে কাপড় বাঁধা ওই দুই যুবক জোর করে ভিতরে ঢুকে যায়।

রিভলভার দেখিয়ে স্বাতীদেবীকে আলমারি খুলতে বাধ্য করে ওই যুবকেরা। লুঠ করা হয় সোনার গয়না, নগদ টাকা, দামী জামাকাপড়। গতকালই মাইনে পেয়েছিলেন শিবাংশুবাবু। সেই টাকাও কেড়ে নেয় দুষ্কৃতীরা। প্রায় আধঘণ্টা ধরে চলে এই তাণ্ডব। ওই যুবকরা বেরিয়ে যাওয়ার পরই বাইরে বেরিয়ে চিত্‍কার শুরু করেন স্বাতীদেবী। তবে দুষ্কৃতীরা নীচে না গিয়ে ছাদে উঠে পাঁচিল টপকে পাশের বহুতলে চলে যায়। সেখান থেকেই এরপর তারা পালিয়ে যায় বলে মনে করছে পুলিস। কলকাতা পুলিসের ডাকাতি দমন শাখার অফিসাররা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।