পতৌদিদের মুঘলাই দাওয়াত

Update: October 18, 2012 15:46 IST

কনের বাড়ির ভোজ পর্ব শেষ। এবার পালা বরের বাড়ির ভোজসভার। সেই উপলক্ষেই দিল্লির এক সরকারি বাংলো সেজে উঠছে একেবারে মুঘল প্যালেসের ঢঙে। পতৌদি পরিবারের দাওয়াত-ই-ওয়ালিমার থিমই হল মুঘল ঘরানা। আর এই পুরো সাজসজ্জার ভার বর্তেছে গুড আর্থ ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির ওপর। কড়া হাতে সব দায়িত্ব সামলাচ্ছেন শর্মিলা ঠাকুর।

আজ সন্ধেয় ৫০০ থেকে ৬০০ লোকের পাত পড়বে সইফ-করিনার মুঘল প্যালেসে। টিনসেল টাউনের পাশাপাশি পায়ের ধুলো দেবেন ইউপিএ চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী, যোজনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান মন্টেক সিং আহলুয়ালিয়া, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী শিলা দীক্ষিত, বিজেপি নেতা অরুণ জেটলি, প্রাক্তন ক্রিকেটার কপিল দেব, আব্বাস আলি বেগের মত মানুষরা। নিমন্ত্রণপত্র পেয়েছেন খোদ রাষ্ট্রপতিও। তাঁদের অভ্যর্থনা জানাতে নিয়ে আসা হয়েছে ২০০ বছরের পুরনো অ্যান্টিক সব আসবাব, অফ-হোয়াইট ও সোনালি মগরা ফুলে সেজে উঠেছে গোটা প্যালেস।

কাঁটায় কাঁটায় রাত আটটায় শুরু হবে ওয়ালিমা। করিনার জন্য ৩টি পোষাক বানিয়েছেন মণীশ মালহোত্রা। গোলাপি ঘাঘরা, গোলাপি-নীল শাড়ি এবং একটি সবুজ শাড়ি। তারমধ্যে থেকেই আজকের জন্য একটি বেছে নিয়েছেন করিনা। রঘুবেন্দ্র রাঠোরের তৈরি মোট ৯ খানা শেরওয়ানির মধ্যে থেকেই একটি পরবেন সইফ।








Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।