কীসের দাম বাড়ল, কীসের কমল

Update: February 28, 2013 14:12 IST

সংসদে পেশ হল ২০১৩-১৪ আর্থিক বছরের বাজেট। এক নজরে দেখে নেব কোন জিনিসের দাম বাড়ল আর কোন জিনিসের দাম কমল।

দাম বাড়ল-

সিগারেট, সিগার ও চুরুট
দামি গাড়ি, মোটর সাইকেল ও প্রমোদ তরণী
এসইউভি(স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকল)
সেট টপ বক্স
শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রেস্তোরাঁয় খাওয়ার খরচ
মার্বল
২০০০টাকার ওপর মোবাইল ফোনের দাম
র সিল্ক

দাম কমল-

হ্যান্ডমেড কার্পেট
ইলেকট্রিক ও হাইব্রিড যানবাহন
চামড়া ও চামড়ার তৈরি দ্রব্য
মূল্যবান পাথর(
প্রেসাস ও সেমি প্রেসাস স্টোনস)
রাইস ব্র্যান তেল
রেডিমেড পোশাক


এবার থেকে পুরুষ যাত্রীদের ক্ষেত্রে ৫০,০০০ টাকা মূল্যের ও মহিলা যাত্রীদের ক্ষেত্রে ১ লক্ষ টাকা মূল্যের সোনার গয়না নিয়ে ভ্রমণ করার ক্ষেত্রে কোনও শুল্ক দিতে হবে না।







Post Your Comment

Total Comments:6

Verry good Budget

This budget will ensure inflation to stay above 10%. Manufacturing sector will face stagnation and in some area it will experience negative growth. Disposable income will reduce in the hands of middle class leading to de-growth of economy. Corruption will multiply many fold.

Aj prjanta kono bajete cigerate er dam komeche!

There is no any comments on Education policy in this bugget.

fair budget

gandu two wheeler-r dam barale keno????? jobab chai jobab dao

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।