সচিবালয় অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫

Update: June 22, 2012 17:43 IST

মহারাষ্ট্র সচিবালয়ের বিধ্বংসী আগুনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল পাঁচ। দীর্ঘ চেষ্টার পর আজ সকালে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারে দমকল। আগুন লাগার কারণ খুঁজে বের করার জন্য ক্রাইম ব্রাঞ্চকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পৃথ্বীরাজ চৌহান।

শুক্রবার সকালে সচিবালয়ের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে যান মুখ্যমন্ত্রী। মন্ত্রিসভার সব সদস্যকে আপাতত রাজ্য ছেড়ে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। গোটা সচিবালয়ের পুনর্গঠন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে না দেখা পর্যন্ত মন্ত্রীরা তাঁদের বাসভবন থেকেই কাজ চালাবেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

আগুনে আদর্শ আবাসন কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত বহু নথি পুড়ে গেছে বলে আশঙ্কা। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ধারের জন্য ন্যাসকম ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ সংস্থার সাহায্য নেওয়া হবে। তবে আদর্শ আবাসনের নথিপত্র সিবিআইয়ের কাছে সুরক্ষিত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

শুক্রবার ঘটনাস্থলে যান কেন্দ্রীয় খাদ্যমন্ত্রী ও এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার ও রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার। আগুন লাগার পিছনে অন্তর্ঘাতের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে পুলিস।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।