দিল্লি ধর্ষণকাণ্ডের বিচার রুদ্ধদ্বারেই

Update: January 22, 2013 09:09 IST

দিল্লি গণধর্ষণকাণ্ডের মামলা ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে স্থানান্তরিত হলেও, সেখানেও বিচার পর্ব চলবে রুদ্ধদ্বারেই। সোমবার পাঁচ অভিযুক্তকে তিহার জেল থেকে বিশেষ আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। এদিকে জনরোষ এড়াতে অন্যতম অভিযুক্ত মুকেশের বিচার দিল্লির বাইরে স্থানান্তরের আর্জি মেনে নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।  

দিল্লি গণধর্ষণকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত মুকেশের বিচার হবে দিল্লির বাইরে। দিল্লির সাধারণ মানুষের আবেগ ও মানসিকতা মুকেশের বিরুদ্ধে রয়েছে। সেকারণে দিল্লিতে তাঁর বিরুদ্ধে বিচার চালালে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হতে পারে। এই মর্মে দিল্লির বাইরে বিচারকে স্থানান্তরিত করার আর্জি জনান মুকেশের আইনজীবী। সোমবার সেই আর্জিতে সম্মতি জানায় সুপ্রিম কোর্ট।

মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি আলতামাস কবীর এব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। সম্ভবত দক্ষিণ ভারতের কোনও শহরে মামলাটিকে স্থানান্তরিত করা হবে। গণধর্ষণের ঘটনার পর দেশ জুড়ে যে প্রতিবাদ আন্দোলন ও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছিল, তা স্বাভাবিক ও যুক্তিসংগত বলেও মন্তব্য করেন আলতামাস কবীর।

শুনানি চলাকালীন সোমবার ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টের বাইরে বিক্ষোভ দেখান মহিলারা।







Post Your Comment

Total Comments:2

মা - বোনেরা , আপনারা সুবিচারের দাবী করে ভুল জায়গায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন । সুবিচার পেতে গেলে আপনাদের দিদিমনির রাজত্বে আসতে হবে । এখানে ধর্ষণ মানেই সাজানো ঘটনা , সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার । কিছু ঘটনা অবশ্য `` খরিদ্দারের সঙ্গে ব্যবসায়িক ভুল বোঝা-বুঝি `` । দিদির রাজ্যে নেই ধর্ষণ , নেই গুন্ডার ভয় , যা বলবেন দিদি মোদের সেটাই মেনে নিতে হয় ।এখানে ` ধর্ষণ হয়েছে ` এই কথাটি উচ্চারণ করলেও পুলিশ অফিসার বদলি হয়ে যান ।আর আছেন আমাদের গর্বের `বিদ্দ্বজনেরা` - দিল্লির ধর্ষণে প্রতিবাদ , এখানে দিদিকে সাধুবাদ ।পরিবর্তনের রাজ্যে বড় সুখে আছি গো সবাই ।

DHORSHOKDER KOTHIN SAJA DEOWA HOK. AMI EKJON PURUSH HISABE LOJJITO OI GHOTONAR JONNO.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।