শেষ পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে পাশ ভারতের মেয়ের

Update: January 24, 2013 22:16 IST

জীবনযুদ্ধে তাকে জোর করে হার মানানো হলেও, জীবনের শেষ পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হলেন দিল্লির ধর্ষিতা তরণী। তিয়াত্তর শতাংশ নম্বর পেয়ে মেধা তালিকায় উপরের দিকেই রয়েছে তাঁর নাম। কিন্তু ফলাফল দেখে উচ্ছ্বসিত হওয়ার মানুষটাই আজ নেই। এইচ এন বি গাড়োয়াল ইউনিভার্সিটির ফিজিওথেরাপির ছাত্রী ছিলেন তিনি। কলেজ সাই ইনস্টিটিউটের ডিন হরিশ অরোরা তাঁর মা-বাবার হাতে এক লক্ষ আশি হাজার টাকার চেক তুলে দেবেন। যা পুরোটাই ওই ইন্সটিটিউটে তাঁর ভর্তির সময় খরচ হয়েছিল।

উত্তর প্রদেশের নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়েটি স্বপ্ন দেখেছিল চিকিতসক হওয়ার। মাসে পাঁচ হাজার টাকা আয়ের পাঁচ সদস্যের পরিবারে সবরকম আর্থিক ও সামাজিক প্রতিকূলকতার বিরুদ্ধে লড়াই করে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। শেষ বর্ষের এই ফলাফল জীবনে চলার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে দিত তাঁকে। কিন্তু তার আগেই থেমে যেতে হল তাঁকে।

Post Your Comment

Total Comments:2

Quality is something that enlightens itself. It needs nothing else to be praised by. But it is good to see that we can still respect ``imagination`` and ``humanity``.

In my country, we never pay attention onto the man`s power and never think that all are assets and valuable wealth. Staying in such place the loss of such girl is really a big loss.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।