দিল্লির হাসপাতালে দুর্ঘটনা, মৃত ৫

Update: December 5, 2012 18:11 IST

মেরামতির কাজে অক্সিজেন পাইপ কেটে যাওয়ায় দিল্লির এক সরকারি হাসপাতালে এখনও পর্যন্ত পাঁচ রোগীর মৃত্যু হয়েছে। অভিযোগ,শুশ্রুত ট্রমা সেন্টারের ইন্টেনসিভ কেয়ার ইউনিটের কেন্দ্রীয় অক্সিজেনের যোগানের পাইপ কেটে যাওয়ায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয় থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। মৃতদের পরিবারের হাসপাতসাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ এনেছে। যদিও হাসপাতার কর্তৃপক্ষ মেরামতকারী সংস্থার কাঁধে দায় ঠেলেছেন। তাঁদের দাবি, অক্সিজেন সরাবরাহ কাজে দক্ষ কর্মী নিয়োগ না করে একজন অদক্ষ শ্রমিককে কাজে লাগিয়েছে ঠিকাদার। দুর্ঘটনার সময় দশটির জায়গায় মাত্র একটি সিলিন্ডার থেকে অক্সিজেন সরাবরাহ হচ্ছিল।

মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। এছাড়াও কমিটি গঠন করে এই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। বিশেষ স্বাস্থ্যসচিব এসবি শশাঙ্ক এর নেতৃত্বে এই কমিটি শুক্রবারের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেবে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।