লজ্জার রাজধানীতে ইন্ডিয়াগেটে জারি ১৪৪ ধারা : টাইমলাইন

Last Updated: Saturday, April 20, 2013 - 11:47

ফের একবার লজ্জায় কেঁপে উঠল দেশ। ফের একবার প্রতিবাদে সোচ্চার হচ্ছে দেশ। ক্ষোভে ফুঁসছে রাজধানীর রাজপথ। দিল্লিতে পাঁচ বছরের এক শিশু কন্যাকে নৃশংস ভাবে ধর্ষণের প্রতিবাদে ফের একবার রাস্তায় ভিড় জমিয়েছেন সাধারণ মানুষ।
অপরাধী ইতিমধ্যেই পুলিসি হেফাজতে। কিন্তু তাতেও বাধ মানছে না মানুষের ক্ষোভ। সব ছাপিয়ে বিক্ষোভকারীদের প্রশ্ন একটাই। আর কবে পৃথিবীর বৃহত্তমে গণতন্ত্রে সুরক্ষিত হবে নারী ও শিশুরা?
এখনও পর্যন্ত দিল্লির ঘটনার টাইমলাইন
সন্ধ্যা ৭.০৫টা-- এইমসর ডাক্তার ডি কে শর্মা বললেন, শিশুটি এখন ভালই আছে। জ্ঞান ফিরেছে, বাবা মায়ের সঙ্গে কথাও বলছে।
সন্ধ্যা ৭.০০টা- শিশুটিকে দেখতে এইমসে গেলেন সোনিয়া গান্ধী
সন্ধ্যা ৬.৩০টা- পটনা থেকে দিল্লিতে আনার পর মূল অভিযুক্তকে জেরা করছে পুলিস।
সন্ধ্যা ৬.৩০টা- বিজেপি নেতা আদবাণী বললেন, বারবার একই ঘটনা ঘটছে অথচ সরকার হাত গুঁটিয়ে বসে আছে।
 
৪.২০: ১০ জনপথের সামনে জড় হতে শুরু করেছেন বিক্ষোভকারীরা।
৩.৫৫টা: ইন্ডিয়া গেট চত্বরে ১৪৪ ধারা জারি।
৩.৪৫: নিছক কিছু আইন প্রনোয়ন করে এই ধরণের অপরাধ বন্ধ করা যাবে না বলে মত প্রকাশ করলেন বরিষ্ঠ বিজেপি নেতা ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রাম জেঠমালানি। শিক্ষিত মানুষ কখনই এই ধরণের অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকেন না বলে মন্তব্য করেছেন এই প্রবীণ আইনজীবী।
৩.৩৫: ইন্ডিয়াগেটে জড় হওয়া বিক্ষোভকারীদের হটিয়ে দিল দিল্লি পুলিস।
৩.১৫টা: ''এই নৃশংস ঘটনায় আমি মর্মাহত।'' মন্তব্য উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারির।
৩.০০: সুশীল কুমার শিন্ডের বাড়ির সামনে পুলিসের সঙ্গে বিতন্ডায় জড়ালেন বিক্ষোভকারীরা।
২.৫৫টা-- মূল অভিযুক্তকে পটনা থেকে দিল্লি নিয়ে আসা হল।
২.৫০টা: সুষমা স্বরাজ এইমসে শিশুটির সঙ্গে দেখা করে এলেন। জানালেন ডাক্তাররা তাঁদের যথাসাধ্য চেষ্টা করছেন।
২.৩৫টা-- দিল্লি পুলিসে বড়সড় রদবদল হতে চলেছে। দিল্লির পুলিস কমিশনার নীরজ কুমারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে বলে সূত্রের খবর
২.৩০টা--সোনিয়া গান্ধী জানালেন, এখন কথা বলার সময় নয়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সময়।
২.২০টা-- দিল্লি পুলিসের সদর দফতরের সামনে বিক্ষোভকারীদের আটকে দেওয়া হল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুশীল কুমার শিন্ডের বাড়ির বাইরে থামানো হল প্রতিবাদ।
২টা ১৫--এইমস-এর ডাক্তাররা জানাল, শিশুটি এখন চিকিত্‍সায় বেশ ভাল সাড়া দিচ্ছে। চার পাঁচ দিনের মধ্যেই শিশুটিকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে।
২টা-- দিল্লি পুলিসের সদর দফতরে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদের সঙ্গে যোগ দিলেন সিপিআই কর্মীরা
দুপুর ১টা ২৫: আহমেদাবাদ, বৃন্দাবন সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শিশুটির আরোগ্য কামনায় প্রার্থনা।
দুপুর ১টা ১৫: এইমসের ডাক্তাররা জানালেন অস্ত্রোপচার করা হবে মেয়েটির।

দুপুর ১২টা ৫৫: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুশীল কুমার শিন্ডে ঘোষণা করলেন রিপোর্ট হাতে এলেই এই ঘটনা নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তিনি জানান ধৃত অভিযুক্তকে দিল্লিতে নিয়ে আসা হচ্ছে। সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আর্জি শিন্ডের। 
দুপুর ১২টা ৫০: নাবালিকা ধর্ষণের ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডের দাবি করলেন সুষমা স্বরাজ।
দুপুর ১২টা ৪০:  দিল্লি পুলিস কমিশনারের অপসারণ দাবি করলেন বিক্ষোভকারীরা।
দুপুর ১২টা ৪০: পুলিস সদর দফতরের সামনে বিক্ষোভরত মানুষদের শান্তি বজায় রাখার অনুরোধ পুলিসের। ব্যারিকেড ভাঙার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি।
দুপুর ১২টা ৪০: পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জল কামান চালাল পুলিস।
দুপুর ১২টা ৪০: দিল্লি পুলিসের সদর দফতরের সামনে প্রতিবাদ বিক্ষোভকারীদের। দলে দলে মানুষের বিক্ষোভে যোগদান। হেডকোয়ার্টারের সামনে তীব্র যানজট।
দুপুর ১২টা ১৫: আটজন  ডাক্তারের বিশেষ দল জানাল মেয়েটিকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তাঁরা জানিয়েছেন মেয়েটির অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল।
দুপুর ১২টা ১০: পূর্ব দিল্লির ডেপুটি পুলিস কমিশনার প্রভাকর জানালেন টানা ৪০ ঘণ্টা বন্দী ছিল পাঁচ বছরের শিশুটি। ধৃত মনোজকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁরা দিল্লিতে নিয়ে আসার চেষ্টা করছেন বলে জানালেন তিনি। অভিযুক্ত মনোজ ১৫ বছর আগে দিল্লিতে আসে। প্রাথমিক ভাবে সে একটি কাপড়ের কারখান্য চাকরি করত বলে জানিয়েছেন ডিসিপি প্রভাকর।
বেলা ১২টা: নিগৃহীতা শিশু কন্যাকে দেখতে হাসপাতালে যাচ্ছেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী
সকাল ১১টা ৫০: দিল্লি পুলিস কমিশনার নীরজ কুমার ইন্ডিয়া গেটের সামনে সাধারণ মানুষকে জমায়েত না হওয়ার আবেদন জানালেন। সংবাদমাধ্যমকে জানালেন দ্রুত এই কেসটিকে ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্টে স্থানান্তরিত করা হবে।
সকাল ১১টা ৩৫: শিশুটির উপর চলা পৈশাচিক অত্যাচারের মর্মাহত, জানালেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়। ক্রমবর্ধমান এই মূল্যবোধের অবক্ষয়কে সামাজিক ভাবেই রোধ করতে হবে। শিশুটির জন্য সেরা চিকিৎসার দাবি জানালেন রাষ্ট্রপতি। অবিলম্বে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের আশ্বাস দিলেন তিনি।  এখনই রোধ করতে হবে।   শিশুটির দ্রুত আরোগ্যকামনার জন্য আমি ওর পরিবারের সঙ্গেই প্রার্থনা করছি। জানালেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়।
সকাল ১১টা ২৭: কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী গুলাম নবি আজাদ এইএমসে মেয়েটিকে দেখে এলেন।
সকাল ১১টা ১৯: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সুশীল কুমার শিন্ডের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ ছাত্র-ছাত্রীদের।
সকাল ১১টা ১৭: এখনও পর্যন্ত এই ধরনের জঘন্য অপরাধ রোধে সরকারের তরফ থেকে কোনও দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। মন্তব্য বিজেপি প্রেসিডেন্ট রাজনাথ সিংয়ের।
সকাল ১১টা ১৫: প্রতিবাদরত মেয়েটিকে চড় মেরে ওই পুলিসকর্মী কি একটুও লজ্জিত নন? মানসিকতার পরিবর্ত্ন প্রয়োজন। না হলে কেউই নিজেকে আর দিল্লিতে নিরাপদ মনে করবে না। মন্তব্য সুষমা স্বরাজের।
সকাল ১১টা ৫: দিল্লি পুলিসের অবিলম্বে দোষ স্বীকার করে নেওয়া উচিৎ। মন্তব্য প্রাক্তন পুলিস অফিসার কিরণ বেদীর।
সকাল ১০টা ৩৭: হাসপাতালের ভিতর প্রতিবাদকে এখনই থামানোর দাবি জানালেন কংগ্রেস নেতা সন্দীপ দীক্ষিত। জানালেন এই ঘটনানিয়ে নোংরা রাজধানী বন্ধ করা হোক।
সকাল ১০টা ৩৬: ধর্ষকদের কঠোরতম শাস্তি প্রয়োজন। তাদের হাত কেটে ফেলা উচিৎ প্রতিক্রিয়া জানালেন নাজমা হেপাতুল্লা।
সকাল ১০টা ২২: এইমসের বাইরে বিক্ষোভরত সাধারণ মানুষ অবিলম্বে অপরাধীর শাস্তির দাবি জানালেন।
সকাল ১০টা ২০: শিশুটির অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল। জানালেন এইমসের ডাক্তাররা।
 
সকাল ১০টা ১৫: কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মণিশ তেওয়ারি ঘটনাটিকে হৃদয়বিদারক ও ক্ষমাহীন বলে মন্তব্য করলেন।
সকাল ১০টা ৮: দিল্লি পুলিস হেডকোয়ার্টারের বাইরে বিক্ষোভ। বিক্ষোভকারীরা দিল্লি পুলিস কমিশনারের অপসারণ দাবি করলেন।
সকাল ১০টা ৬: এটাই সময়...নাবালিকা ধর্ষণের জন্য মৃত্যুদণ্ডের আইন জারি করা উচিৎ সরকারের। মন্তব্য বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানির।
সকাল ৯টা ৪৪: কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রী কৃষ্ণা তিরথ জানালেন তাঁরা সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে বিভিন্ন আইন ও শাস্তি সম্পর্কে তাঁদের অবহিত করার নির্দেশ দিয়েছেন পুলিসকে।
সকাল ৯টা ৩০: আজমের শরিফে নিগৃহীতা শিশুটির আরোগ্য কামনায় প্রার্থনা।
সকাল ৯টা ২৫: এরা কি পুলিস নাকী গুণ্ডা বাহিনী? প্রশ্ন সিপিআইএম নেত্রী বৃন্দা কারাতের।
রাত ৩টে: ধৃত মনোজ কুমারকে দিল্লিতে নিয়ে আসার জন্য ৭২ ঘণ্টার ট্রানসিট রিমান্ড
রাত ২টো: বিহার থেকে ধৃত এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত মনোজ কুমার।



First Published: Saturday, April 20, 2013 - 20:29


comments powered by Disqus