দিল্লির গণধর্ষণ: ক্ষোভের আগুন বলিউডেও

Update: December 19, 2012 20:43 IST

দিল্লির গণধর্ষণ নিয়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে গোটা দেশ জুড়ে। প্রতিবাদে সামিল হয়েছে বলিউডও। সংবাদমাধ্যম, টুইটার, ফেসবুকের মাধ্যমে দোষীদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান, করিনা কপুররা।

বুধবার সকালে পরপর তিনটি টুইটে শাহরুখ লিখেছেন, "আমরা এই নৃশংস ঘটনাটাকে কখনই একা দায়ী করতে পারি না। সারা বিশ্বেই পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এর জন্য আমরাই দায়ী। আমরা যদি সঠিক সময় দোষীদের শাস্তি দিতে না পারি তাহলে আমাদেরই শাস্তি পাওয়া উচিত। খুব তাড়াতাড়ি। এই ধরণের অমানবিক অপরাধ আমাদের ঘরে পৌঁছনোর আগেই"।
শাহরুখের মতোই একাধিক টুইট করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অমিতাভ বচ্চনও। পরপর সাতটি টুইটে অমিতাভ লিখেছেন, আমি অনেক কিছুই বলতে চেয়েছিলাম কিন্তু গণধর্ষণের ঘটনা নিয়ে সত্যিই খুব বিবৃত। এটা একটা ক্ষমাহীন অপরাধ। এইসব ইস্যু নিয়ে যদি মুখ খুলি তাহলে সবাই বলে শুধু বলে কী হবে? কাজে কিছুই হয় না। আর কিছু না বললে বলা হয়, আপনি কখনই কিছু বলেন না। বিচারব্যবস্থা, আইনকানুন সবকিছুর অবনতি হচ্ছে। আমাদের আগের প্রজন্ম নিশ্চয়ই এই স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেনি। ধর্ষণের বিচার না হলে অনেক কথা আলোচনা হবে। শাস্তির ক্ষেত্রে কঠোর হতে হবে। দুর্গা, কালী, লক্ষ্মী সবাই দেবী। আমরা তাদের আরাধনা করি। শ্রদ্ধা করি। মহিলাদের শ্রদ্ধা করা উচিত। জনসমক্ষে আমি এই ঘটনা নিয়ে আলোচনা করতে চাই না। পশুরাও এরকম আচরণ করবে না। অনেক হয়েছে! আমি আর কিছু বলতে পারছি না।

আটান্ন তম ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডের ঘোষণা উপলক্ষে বুধবার দিল্লিতে গিয়েছিলেন করিনা কপুর। গণধর্ষণ প্রসঙ্গে করিনা বলেন, "যা হয়েছে সেটা কখনই হওয়া উচিত ছিল না। আমাদের দেশে সব ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর আমরা সচেতন হই। আমাদের দেশে বিচার পাওয়া সত্যিই সময় সাপেক্ষ। দেশের আইন নতুন করে তৈরি হোক। বিচার তাড়াতাড়ি হওয়া প্রয়োজন। আমি আজই পড়লাম অন্তত চল্লিশটা ধর্ষণের ঘটনা এখনও বিচারের অপেক্ষায় রয়েছে। একজন মহিলার রাতে একা বেরনো উচিত নয় বলে দিলেই সমস্যার সমাধান হবে না। একজন আধুনিক মহিলা হিসেবে আমি কখনই সেটা সমর্থন করি না। আমি লেটনাইট পার্টি পছন্দ করি। দিল্লির মতো বড় শহরে এরকম ঘটনা সত্যিই লজ্জাজনক। আমাদের দেশের ছোট শহরে এরকম অনেক ঘটনাই ঘটে যা আমরা জানতেও পারি না।

অমিতাভ, শাহরুখ, করিনার পাশাপাশি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সলমন খান, ফারহান আখতার ও সানিয়ে মির্জাও।

Post Your Comment

Total Comments:4

Every Indian knows that Dixit`s grand suggestion to rationalize VIP security is just a drama. If she is serious, she should make a beginning by refusing all security for herself and her cabinet colleagues and set an example. It is true that far too many police are engaged in the fruitless task of guarding our so called` `IPs against `erceived` threats with no substance. This is a blattant insult to democracy. For any VIP no more than two guards should be provided at public cost. those public servants who fear for their lives, should make their own private arrangements to protect themselves. Police are paid by the commonman and therefore should be responsible and accountable to their masters the common public. And not only the police but even the ministers and CMs should be responsible to those who foot their salaris and perks-the common man.

এত বড় বাসে আর কোন লোক ছিলোনা?

Eai rakam rapist tairi hoto na jodi amader aini- sanbidhane eder jonno kothin sasthir byabostha thakto.... r je deshe aain thik nei sekahne sathik bichar chaoa to ``BAMON HOYE CHANDE HAAT BARANO``-r samil.Tai MOHILA varatbasi etuku jene rakhun eai rakam ghatana hole sudhu samabedonai jutbe... sathik bichar pete pete apni ``BURI`` hoye jaben , r kendriyo aaini byabostha suddhu ganatantrer niti kapchabe...

amar mote ata prithaom rape case noi.aj jodi ara r ager rapeist sasti na pai.. tobe rape ta passion hoye jabe.tai please desher aien babostha k bolchi...please ader jogya sasti din....amr apnader bicharer opekhai roilam.

  • Ujjwal
  • Posted: 12/22/2012 1:02:06 PM

Good comment

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।