দিল্লি শিশু হত্যা কাণ্ডে গ্রেফতার তিন

Update: March 3, 2013 15:25 IST

নয়াদিল্লিতে অপহৃত দুই শিশুর মৃতদেহ উদ্ধারের একদিন পর এই ঘটনায় সন্দেহভাজন তিনজনকে গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিস। ধৃত তিনজনের মধ্যে একজন ওই দুই শিশুর আত্মীয় বলেও জানা গেছে।

গত সপ্তাহের শুক্রবার প্রগতি ময়দানের কাছে একটি জঙ্গল থেকে ওই দুই ভাইবোনের পচাগলা দেশ উদ্ধার করা করা হয়। গত মাসের ২৬ তারিখ স্কুল থেকে ফেরার পথেই নিঁখোজ হয় তারা।

পুলিসের শিশুদুটির আত্মীয় অমিত তার দুই বন্ধু শিবম গুপ্তা ও পঙ্কজ কাশ্যপের সঙ্গে রীতিমত পরিকল্পনা করেই ওই দুই ভাইবোনকে অপহরণ করে। ওই দুই শিশুর বাবা-মায়ের কাছ থেকে মোটা টাকা আদায় করার উদ্দেশ্যেই অপহরণের ছক কষে তারা। পুলিসি তদন্তে জানা গেছে পরিবারটির আত্মীয়তার সুযোগ নিয়ে ২৬শে ফেব্রুয়ারি অমিতই ওই শিশু দুটিকে স্কুল থেকে নিয়ে আসে।

অপহরণকারীরা ৩০লক্ষ টাকা মুক্তিপণ চেয়ে বেশ কয়েকবার ফোন করে তারা।

পুলিসি নিষ্ক্রিয়তা ও স্কুলের ঢিলেঢালা নিরাপত্তার অভিযোগ গতকালই শতাধিক মানুষ মান্দাওয়ালি পুলিস স্টেশন ও বাচ্চা দুটির স্কুলের সামনে বিক্ষোভ জানান।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।