ডেঙ্গি কামড় বসাচ্ছে বিস্তীর্ণ বাঁকুড়ায়

Update: October 19, 2012 16:43 IST

বাঁকুড়া শহরের নাকের ডগায় জগদল্লা গ্রামে ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে ডেঙ্গি। ইতিমধ্যেই আক্রান্ত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। অনেকেই ভর্তি রয়েছেন বাঁকুড়া সম্মেলনি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। এভাবে ডেঙ্গি ছড়িয়ে পড়ায় স্বাস্থ্য দফতরের বিরুদ্ধে উদাসীনতার অভিযোগ তুলেছেন গ্রামের বাসিন্দারা।

মাস খানেক ধরে ডেঙ্গি থাবা বসাচ্ছে জগদল্লা গ্রামের লোহার পাড়া ও তন্তুবায় পাড়ায়। গ্রামের বেশ কয়েকজনের এনএস ওয়ান অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় ডেঙ্গি ধরা পড়েছে। ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে অনেকেই ভর্তি রয়েছেন বাঁকুড়া সম্মিলনি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। স্থানীয় পঞ্চায়েত থেকে  জেলা স্বাস্থ্য দফতর, সর্বস্তরে জানানোর পরেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের।
  
পঞ্চায়েতের স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানের অভিযোগ, জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য দফতর এমনকি পার্শ্ববর্তী বাঁকুড়া পৌরসভার কাছে রক্ত পরীক্ষা, মশা মারার তেল ও মেডিক্যাল টিম পাঠানোর আর্জি জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি।
 
এবিষয়ে মুখ খুলতে চায়নি জেলা স্বাস্থ্য দফতর। আক্রান্ত এলাকায় গরীব মানুষের সংখ্যা বেশি। ফলে সরকারি সাহায্য ছাড়া রক্তপরীক্ষা, প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র কেনাও দুষ্কর হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের।
 






Post Your Comment

Total Comments:1

Everybody faraway from mosquitos... Bcoz they break out dengu maleria... So, beware of them... I think they are dengerous insect in this time...

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।