অবশেষে বাঘাযতীনে ডেঙ্গি ঠেকাতে সচেষ্ট পুরসভা

Update: August 16, 2012 12:10 IST

২৪ঘণ্টার খবরের জেরে অবশেষে নড়েচড়ে বসল কলকাতা পুরসভা। গত ১০ দিন বারবার জানিয়েও যেখানে লাভ হয়নি, বৃহস্পতিবার সকালে সেখানেই পুরসভার তরফে হাজির হলেন জনাকয়েক প্রতিনিধি। বাঘাযতীন এলাকার স্থানীয় মানুষজনের কাছ থেকে ডেঙ্গির প্রাদুর্ভাবের কথা জেনে নেওয়ার পাশাপাশি মশা তাড়ানোর ব্যবস্থাও হল।

বাঘাযতীনের কাজিপাড়া এলাকায় প্রায় ঘরে ঘরে জ্বর। অনেকের রক্তে ডেঙ্গির জীবাণুও মিলেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বিষয়টি প্রথমদিকেই পুরসভার নজরে আনা হয়েছিল। কিন্তু সেইসময় পুরসভা কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ। আজ সকালে এলাকায় গিয়ে পুরসভার তরফে মশা মারার তেল, ধোঁয়া দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। তবে এলাকাবাসীর ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় পুর-প্রতিনিধিদের।





Post Your Comment

Total Comments:1

kolkata 1ta Sahor? na Rogaaloy?bojhay dai.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।