বন্‌ধের মধ্যে বেলাইন দুন এক্সপ্রেস

Update: May 31, 2012 15:32 IST

ফের রেলদুর্ঘটনা! এবার দুর্ঘটনাগ্রস্ত দুন এক্সপ্রেস। উত্তরপ্রদেশের জৌনপুরের মেহরাওয়া স্টেশনের কাছে হাওড়া-দেরাদুন এক্সপ্রেসের ৫টি বগি লাইনচ্যুত হলে দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহতর সংখ্যা ৮৫ ছাড়িয়েছে। যদিও রেলের তরফে ৩ জনের মৃত্যুর কথা স্বীকার করা হয়েছে। নিহতদের পরিবার পিছু ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ও এক জনের চাকরি, গুরুতর আহতদের এক লক্ষ টাকা ও সামান্য আহতদের ২৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন রেলমন্ত্রী মুকুল রায়।

বৃহস্পতিবার দুপুর একটা নাগাদ ১৩০০৯ হাওড়া থেকে দেরাদুনগামী দুন এক্সপ্রেসের ৫টি কামরা লাইনচ্যূত হয়। এস-১১ থেকে এস-১৫ পর্যন্ত কামরাগুলি বেলাইন হয়। এছাড়া আরও ২টি বগিও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।


শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ। উত্তর রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক জানিয়েছেন, লখনউ ও মোগলসরাই থেকে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দুটি রিলিফ ট্রেন। দুর্ঘটনাগ্রস্ত কামরাগুলি থেকে যাত্রীদের বার করে আনার কাজ চলছে জোর কদমে। যে সমস্ত যাত্রীরা গন্তব্যে পৌঁছতে চান তাদের জন্য বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করেছে রেল।

রেলের তরফে জানানো হয়েছে, ট্রেন লাইনে কিছু পড়ে থাকতে দেখে চালক হঠাত্‍ ব্রেক কষায় দুর্ঘটনা ঘটছে। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলের দিকে রওনা দিয়েছেন রেলমন্ত্রী মুকুল রায়।

হাওড়া স্টেশনে খোলা হয়েছে হেল্পলাইন। হেল্পলাইন খোলা হয়েছে লখনউতেও। মহাকরণেও খোলা হয়েছে আলাদা হেল্পলাইন। দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রেনের যাত্রীদের আত্মীয়দের ঘটলনাস্থলে পৌঁছে দিতে বৃহস্পতিবার দুন এক্সপ্রেসের সঙ্গে পাঁচটি অতিরিক্ত কামরা যোগ করা হবে বলে রেল সূত্রে জানানো হয়েছে।

জৌনপুরে দুন এক্সপ্রেস দুর্ঘটনাকে ঘিরে সামনে উঠে এল অন্তর্ঘাতের তত্ত্ব।এনডিএ-র ডাকা ভারত বনধের দিনেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে এর পিছনে অন্তর্ঘাত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন রেলমন্ত্রী মুকুল রায়। কীভাবে ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন রেলমন্ত্রী।
 
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এদিন বলেন, দুর্ঘটনার পিছনে অন্তর্ঘাত থাকতে পারে। জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেস দূর্ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে এদিন তিনি নাশকতার আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
 
রেলের তরফেও বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, ট্রেন লাইনে কিছু পড়ে থাকতে দেখেন চালক। সেই সময় ঘণ্টায় ৯৫ কিলোমিটার গতিতে ছুটছিল ট্রেনটি। আচমকা চালক ব্রেক কষায় ঘটে যায় এই দুর্ঘটনা।
 


হেল্পলাইনের নম্বরগুলি হল:

হাওড়া: (০৩৩) ২৬৪১ ৩৬৬০
      ২৬৪০ ২২৪১

মহাকরণ: ১৪৩৫২৬/ ২২৫৪ ৪৪৭৮

লখনউ: (০৫২২) ২৬৩৫৮৪৪




Post Your Comment

Total Comments:6

Indian Rail ki jay ho.. Passengers ke sath aisa mat karo.

India Kab Sudhrega?

Je pariman taka kshatipuran babad dite hoy prati bacchare tar theke ektu beshi diye, mane hoy, reler suraksha kaje byabahar korle beshi sufal paoya jabe.

Tjat tjauja katmdjtja jatjaM

Tjat tjauja katmdjtja jatjaM

Tjat tjauja katmdjtja jatjaM

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।