ডার্বির উত্তেজনার পারদ বাড়িয়ে হাজির ফোন বিতর্ক

Update: February 3, 2013 21:15 IST

ডার্বি ম্যাচের আগে ফোনকাণ্ডে বিতর্ক তুঙ্গে দুই শিবিরে। টোলগেকে ফোন করা নিয়ে দুই শিবিরের মধ্যে চাপানউতোর চলছেই। যা এক সপ্তাহ আগেই ডার্বির উত্তেজনার পারদ একধাক্কায় অনেকটা উপরে নিয়ে গিয়েছে। ডার্বির আগে এই নতুন বিতর্ক নিয়ে উত্তাল ময়দান। প্রাক্তন ফুটবলারদের মধ্যে কারও কাছে এই ঘটনা নিতান্তই গিমিক। কেউ আবার বলছেন এই ঘটনা চাপ বাড়ানোর কৌশল। কারও মতে ভিত্তিহীন।

এদিকে আই লিগের কলঙ্কিত ডার্বি নিয়ে ঝামেলা এখনও মেটাতে পারেনি ফেডারেশন। ৯ ফেব্রুয়ারি ফিরতি ডার্বির সাত দিন আগে আবার উত্তপ্ত ময়দান। টোলগে ওজবের সঙ্গে সামান্য একটা ফোনাফুনি নিয়ে শুরু চাপান-উতোর।

শনিবার সকালে করিম বেঞ্চারিফার অনুশীলনে গোলকিপার হন টোলগে। পুরো রিজার্ভ বেঞ্চ নিয়ে ঘণ্টাখানেকের অনুশীলন শেষে হঠাৎ ক্লাবের অর্থসচিব দেবাশিস দত্ত অনভিপ্রেত অভিযোগ আনেন ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকারের বিরুদ্ধে। বলেন, ‘‘শুক্রবার ম্যাচের পর রাতে ইস্টবেঙ্গলের দেবব্রত সরকার ফোন করেছিলেন টোলগেকে। আমাদের ফুটবলারদের যাতে কেউ বিরক্ত করতে না পারে সে জন্য ডার্বির আগে ফুটবলারদের কথা বলতে বারণ করা হয়েছে।”
যা শুনেই বিকেলে পাল্টা সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে দেবব্রতবাবু মোবাইলের কল লিস্ট দেখান। টোলগে নিজেই রাত ১০টা ৩৪ মিনিটে ফোন করেন তাঁকে। কথা বলেন ২ মিনিট ৩৪ সেকেন্ড। দেবব্রতবাবু বলেন, “মাঠ উত্তপ্ত করার জন্যই এ সব বলা হচ্ছে। কলঙ্কিত করা হচ্ছে মাঠকে। ওদের প্রেসিডেন্টই তো বলেছেন, লড়াই নব্বই মিনিটের। আমার সঙ্গে ওদের অনেক ফুটবলারের কথা হয়। কিছু সাহায্য চাইলে করার চেষ্টা করি। মোহনবাগান যেটা করছে সেটা আমাদের সংস্কৃতি নয়।” যা শুনে দেবাশিসের পাল্টা মন্তব্য, “টোলগে আমাকে যা বলেছে তাই বলেছি। কাল অনুশীলনের পর বাকিটা বলব। যা দেখানোর দেখাব।”

কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, একজন ফুটবলার তো সৌজন্য বা ব্যক্তিগত বন্ধুত্বের জেরে বিপক্ষ কর্তা বা ফুটবলারদের ফোন করতেই পারেন। নিষেধাজ্ঞা জারি করে আদৌ ফোন আটকানো যাবে? এর মধ্যেই আবার ডার্বির টিকিট-সংখ্যা কমিয়ে দিল মোহনবাগান। এক লাখ দশ হাজারের যুবভারতীর জন্য ছাপানো হচ্ছে সত্তর হাজার টিকিট। মোহন সচিব অঞ্জন মিত্র বললেন, “সবাই যাতে ভাল ভাবে খেলা দেখতে পারেন এবং প্রশাসনের সুবিধার জন্য এটা করা হচ্ছে।” মাঠের বাইরে বিবৃতির যুদ্ধ শুরু হলেও মাঠে শান্তির জন্য প্রচারপত্র ছাপাচ্ছে বাগান। ১৯৮০-র ১৬ অগস্টের পরের দিনের বিভিন্ন পেপার কাটিং কোলাজ করে লেখা হচ্ছে, “আর ১৬ অগস্ট চাই না।” এ দিন বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের সঙ্গে বৈঠকের পর বাগানের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়, পুলিশ যেন ম্যাচের সময় গ্যালারির দিকে তাকিয়ে থাকে।
 

Post Your Comment

Total Comments:3

It is a gimic,only gimic. Mr debasis datta now keep quite.Dont try to play new drama. Please keep our (mohunbagan )player too cool and also to TOLGE.

It is a gimic,only gimic. Mr debasis datta now keep quite.Dont try to play new drama. Please keep our (mohunbagan )player too cool and also to TOLGE.

It is a gimic,only gimic. Mr debasis datta now keep quite.Dont try to play new drama. Please keep our (mohunbagan )player too cool and also to TOLGE.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।