বিশ্বকাপের পরিকল্পনা শুরু ধোনির

Update: January 28, 2013 20:47 IST

২০১৫ বিশ্বকাপের জন্য পরিকল্পনা শুরু করে দিলেন অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। এই বছরের মধ্যেই ক্রিকেটারদের একটা পুল তৈরি করতে চাইছেন তিনি। বিশ্বকাপের পরিকল্পনায় ইরফান পাঠানকে রাখছেন মাহি। ধোনির মতে,ইরফান মূলত হবেন পেসার অলরাউন্ডার আর জাদেজা হবেন স্পিনার অলরাউন্ডার। সাত আর আট নম্বরে দুজনেই খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন বলে মনে করছেন ধোনি।

এদিকে অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আগেই ভারতীয় দলে যোগ দিতে পারেন একজন স্পিনিং কোচ। আগামী মাসেই ভারত সফরে আসছেন মাইকেল ক্লার্করা। অসিদের স্পিন দুর্বলতা সর্বজনবিদিত। কিন্তু ভারতীয় স্পিনাররা তাঁদের কতটা সমস্যায় ফেলতে পারবেন তা নিয়ে সংশয় রয়েছে খোদ বোর্ডকর্তাদের মধ্যেই। কারণ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ভারতীয় স্পিনারদের পারফরম্যান্স মোটেই সুবিধের ছিল না। অ্যালিস্টার কুক-কেভিন পিটারসনদের কাছে রীতিমত নাস্তানাবুদ হতে হয়েছিল প্রজ্ঞান ওঝাদের। উল্টে ভারতীয় কন্ডিশনে দুরন্ত বল করেছিলেন সোয়ান-পানেসররা। তাই অবিলম্বে অশ্বিনদের জন্য একজন কোচ আনতে চাইছে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড। চলতি সপ্তাহেই সম্ভবত এব্যাপারে টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে কথা বলবেন বোর্ড কর্তারা। ভারতের একজন বোলিং কোচ রয়েছেন। তবে জো ডয়েস মূলত পেসারদেরই দেখাশোনা করেন। তাই স্পিনারদের গাইড করার জন্য একজন বিশেষজ্ঞ কোচকে চাইছেন বোর্ড কর্তারা।




Post Your Comment

Total Comments:1

Ami bolbo uuuuuvvdhonir eta kintu darun porikolpona. Eta ekdam currect decission.r ekta katha 7 abong 8 numbare irfan pathan abong jadeja ke khelanor prostab ta kintu dhonir darun siddhanto .amio eta mone kori. Dhoni jeta kor6e seta ekdom thik. Dhoni i wish u for 2015 world cup by best of luck.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।