বাড়বে ডিজেল, কেরোসিনের দাম

Update: December 28, 2012 09:27 IST

এবারে কেরোসিনও আরও মহার্ঘ হতে চলেছে মধ্যবিত্তের কাছে। কেলকর কমিটির প্রস্তাব মেনে কেরোসিনের দাম লিটার প্রতি দশটাকা বাড়ানোর পথে হাঁটছে কেন্দ্র। দাম বৃদ্ধিতে সায় দিয়েছে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক। তবে মন্ত্রকসূত্রে খবর, দু`বছরে ধাপে ধাপে বাড়ানো হবে কেরোসিনের দাম। একই সঙ্গে ফের লিটার প্রতি দশ টাকা বাড়ছে ডিজেলও। রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলির ঘাটতির কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত বলে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে।

দফায় দফায় দাম বেড়েছে পেট্রোল, ডিজেলের। ভর্তুকি কমেছে রান্নার গ্যাসের ওপর থেকে। যার জেরে মূল্যবৃদ্ধির বাজারে মধ্যবিত্তের নাভিশ্বাস উঠলেও, স্বস্তি দিয়েছিল কেরোসিন। গত বছর জুন মাস থেকে কেরোসিনের দাম আর বাড়েনি।  এবারে সেই কেরোসিনও আম আদমির বাজেটে টান ফেলতে চলেছে। লিটার প্রতি কেরোসিনে দাম বাড়বে দশ টাকা। কেলকর কমিটির এই প্রস্তাবে  ইতিমধ্যেই সায় দিয়েছে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক। আগামী দু`বছরে ধাপে ধাপে এই দাম বাড়ানো হতে পারে বলে মন্ত্রক সূত্রে খবর।

একইসঙ্গে প্রতি লিটারে দশ টাকা বাড়তে পারে ডিজেলের দামও। দশমাস ধরে এই দাম বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। কেন্দ্রের যুক্তি, দফায় দফায় দাম বাড়ানোর পরও রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলিকে প্রতিদিনই লোকসানে চলতে হচ্ছে। ফলে ঘাটতির পরিমাণ পৌঁছেছে এক লক্ষ ষাট হাজার কোটি টাকায়। ঘাটতি মেটাতেই সরকার দাম বাড়ানোর পথে হাঁটছে বলে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক সূত্রে  দাবি করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত সিলমোহরের জন্য এই প্রস্তাব কেবিনেটে পাঠানোর তোড়জোর শুরু হয়েছে। তবে তার আগে বিষয়টি প্রয়োজনে রাজনীতি বিষয়ক কেবিনেট কমিটিতে তোলা হতে পারে বলেও মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।