দিঘায় বেআইনি হোটেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে প্রশাসন

Update: November 5, 2012 21:36 IST

দিঘায় যে সমস্ত হোটেলের সরাই লাইসেন্স নেই, সে সমস্ত হোটেলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদ। পর্যটক মরসুমেই কেন লাইসেন্স করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন হোটেল মালিকরা।

সরাই লাইসেন্স পেতে গেলে দমকল এবং পরিবেশ দফতরের ছাড়পত্র লাগে। তবে দিঘার অধিকাংশ হোটেল মালিকেরই অভিযোগ, ছাড়পত্র দিতে গড়িমসি করেছে এই দুটি দফতরই। সরাই লাইসেন্স দিতে পর্যটক মরসুমে ৭ দিনের জন্য দিঘায় ক্যাম্প বসানো হয় সরকারের তরফে। ৩০ মার্চ শেষ হয়েছে সেই ক্যাম্প। কিন্তু সেখানে মাত্র ৫২ আবেদন পত্র জমা পড়েছে। আবেদন করেনি এমন হোটেলগুলির বিরুদ্ধে অভিযানে নামতে চলেছে দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদ। পর্যটক মরসুমে উন্নয়ন পর্ষদ ব্যবস্থা নিলে ক্ষতির আশঙ্কা করছেন হোটেল মালিকরা।

পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা ভেবে বামফ্রন্ট সরকারের আমলে পরিকল্পিত বহির্ভূতভাবে তৈরি হওয়া বেশ কিছু হোটেলের অবৈধ অংশ ভেঙে দেওয়া হয়। অভিযোগ, নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরও বেআইনিভাবে গজিয়ে উঠেছে বেশ কিছু হোটেল। সেগুলির বিরুদ্ধেও কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে? এখন সে প্রশ্নই তুলছেন দিঘার হোটেল মালিকদের একাংশ।
 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।