অখিলেশের আসনে প্রার্থী ডিম্পল, বিজেপি`তে যেতে পারেন জয়াপ্রদা

Update: May 26, 2012 14:07 IST

ফের নিজের ছেড়ে দেওয়া লোকসভা আসনে স্ত্রী ডিম্পল যাদবকে দাঁড় করানোর সিদ্ধান্ত নিলেন অখিলেশ সিং যাদব। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার। শনিবার সমাজবাদী পার্টির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা মুলায়ম সিং যাদবের তুতো ভাই রামগোপাল যাদব জানিয়েছেন, দলীয় কর্মীদের দাবি মেনে কনৌজ লোকসভা আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী করা হবে ডিম্পলকে। অন্যদিকে এদিনই খবর মিলেছে, রামপুরের বহিষ্কৃত সমাজবাদী সাংসদ জয়াপ্রদা বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন।

উত্তরপ্রদেশ বিধানসভায় সমাজবাদী পার্টির বিপুল জয়ের পর গত ১৫ মার্চ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন মুলায়ম সিং যাদবের ছেলে অখিলেশ। এর পর রাজ্যের বিধান পরিষদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে কনৌজের সাংসদ পদে ইস্তফা দেন তিনি। অখিলেশের ছেড়ে দেওয়া আসনে উপনির্বাচনী যুদ্ধে নামার জন্য পুত্রবধূ ডিম্পলের নাম চূড়ান্ত করেছেন সমাজবাদী-সুপ্রিমো মুলায়ম। তবে এই প্রথম নয়, ২০০৯-এর নভেম্বর মাসেও উপনির্বাচনে লড়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে ডিম্পলের। কিন্তু সেবার ফিরোজাবাদ কেন্দ্রে মর্যাদার লড়াইয়ে সমাজবাদী পার্টির দলত্যাগী নেতা তথা কংগ্রেস প্রার্থী রাজ বব্বরের কাছে ৮৫,৩৪৩ ভোটে হেরে গিয়েছিলেন তিনি। ২০০৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে কনৌজ ও ফিরোজাবাদ কেন্দ্রে জয়ী হওয়ার পর ডিম্পলের জন্য পারিবারিক খাসতালুক ফিরোজবাদ ছেড়ে দিয়েছিলেন অখিলেশ। কিন্তু সেখানে কংগ্রেসের চিত্রতারকা প্রার্থীর কাছে অর্ধাঙ্গিনীর অপ্রত্যাশিত পরাজয় রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট বিপাকে ফেলেছিল তাঁকে। তবে সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা ভোটে রাজ্যজুড়ে সমাজবাদী `লহর`-এর পর কনৌজে ডিম্পলের জয় নিশ্চিত বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এদিকে শনিবার ১১ অশোক রোড-সূত্রে বলিউডি অভিনেত্রী জয়াপ্রদার সঙ্গে বিজেপি সভাপতি নীতিন গডকড়ির গোপন বৈঠকের খবর মিলেছে। ২০০০ সালে চন্দ্রবাবু নাইডুর সঙ্গে মনোমালিন্যের কারণে তেলুগু দেশম ছেড়ে সমাজবাদী পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন টিনসেল টাউনের এই সুন্দরী নায়িকা। ২০০৪ এবং ২০০৯ সালে রামপুর কেন্দ্র থেকে সংসদে নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু দলবিরোধী কাজের জন্য ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে অমর সিংয়ের সঙ্গে তাঁকেও বহিষ্কার করেন মুলায়ম। চলতি বছরের বিধানসভা ভোটে নতুন রাজনৈতিক দল `লোকমঞ্চ` গড়ে শতাধিক আসনে প্রার্থী দিলেও এক জনকেও জেতাতে পারেননি অমর সিং-জয়াপ্রদা।

Post Your Comment

Total Comments:1

petroler dam komano.hok?

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।