১৮৪-তে ডিএমকে পাশে, সুবিধায় সরকার

Update: November 27, 2012 14:13 IST

ইস্যুতে শেষপর্যন্ত ডিএমকেকে পাশে পাচ্ছে সরকার। বিজেপিকে রুখতেই সম্ভবত শেষপর্য়ন্ত সরকারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে শরিক দল ডিএমকে। আর তাদের এই সমর্থনের আশ্বাসেই সম্ভবত ১৮৪ ধারায় আলোচনা এবং ভোটাভুটির দাবি মেনে নিতে পারে সরকার। কারণ সেক্ষেত্রে সংখ্যা নিয়ে সমস্যার মুখে পড়তে হবে না।

আজই বৈঠকে বসে ইউপিএ সমন্বয় কমিটি। আর সেই বৈঠকেই ডিএমকে-কে তুষ্ট করা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এফডিআই নিয়ে ১৮৪ ধারায় আলোচনা এবং ভোটাভুটির দাবিতে এখনও অনড় বিরোধীরা।

খুচরো ব্যবসায় বিদেশি বিনিয়োগ সহ একাধিক ইস্যুতে আজও গোড়া থেকেই উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদ। অধিবেশন শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই এফডিআই প্রত্যাহারের দাবিতে ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিরোধীরা। শুরু হওয়ার পরই বেলা বারোটা পর্যন্ত মুলতুবি করে দিতে হয় রাজ্যসভার অধিবেশন। এরপর বিরোধীদের হট্টগোলের জেরে মুলতুবি করে দিতে হয় লোকসভার অধিবেশনও।

বেলা বারোটায় দুই কক্ষের অধিবেশন শুরুর পরও এতটুকুও বদলায়নি ছবিটা। বিরোধীদের হৈ-চৈ-এর জেরে বেলা দুটো পর্যন্ত মুলতুবি করে দিতে হয় অধিবেশন। লোকসভায় এফডিআই বিতর্ক প্রাধান্য পেলেও রাজ্যসভায় হট্টগোল হয় পদোন্নতিতে সংরক্ষণ ইস্যু নিয়েও।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।