রাজকোষ শূন্য, অনুদান বাড়ল ক্লাবগুলির

Update: January 11, 2013 10:19 IST

রাজ্য সরকারের টাকা নেই। বারবারই একথা শোনা যায় মুখ্যমন্ত্রীর গলায়। অথচ ক্রীড়া ক্লাবগুলিকে অনুদানের পরিমাণ ১৬ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে করা হল ৪০ কোটি। আগামিকাল নেতাজী ইন্ডোরে ক্লাবগুলির হাতে টাকা তুলে দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের বিভিন্ন ক্লাবকে প্রতি বছরই অনুদান দেয় রাজ্য ক্রীড়া দফতর। 

এবছর অনুদান পাচ্ছে ২৪০০ ক্লাব। গত বছর অনুদান পেয়েছিল ৮০০ ক্লাব। গতবার দু লক্ষ টাকা করে অনুদান পাওয়া ক্লাবগুলিকে এবারও এক লক্ষ টাকা করে অনুদান দেওয়া হচ্ছে। আর নতুন ষোলশো ক্লাবকে দেওয়া হবে দু লক্ষ টাকা করে।

শুক্রবার নেতাজি ইন্ডোরে ক্লাবগুলির হাতে অনুদানের টাকা তুলে দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু এতে নিয়মভাঙার অভিযোগ উঠছে।নিয়ম অনুযায়ী, ক্লাবগুলিকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে টাকা দেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে গতবছর অনুদান পাওয়া ক্লাবগুলির এবছর অনুদান পাওয়ার কথা নয়। 

গত বছর সরকারি রেজিস্ট্রেশন না থাকা ক্লাবগুলিকে অনুদান দেওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়েছিল রাজ্য সরকার। এবার যে ক্লাবগুলির অনুদান পাওয়ার কথা, তারমধ্যে অন্তত ২০ শতাংশের সরকারি রেজিস্ট্রেশন নেই বলে ক্রীড়া দফতর সূত্রেই জানা গিয়েছে।

নিয়ম হল, সরকারি অনুদানের জন্য ক্লাবগুলিকে আবেদন করতে হয়। তারমধ্যে থেকেই ক্রীড়া দফতর বেছে নেয়। কিন্তু গত বছরের মতো এবারও তৃণমূল কংগ্রেস নেতা-মন্ত্রীদের সুপারিশ মেনে ক্লাব বাছাই করা হয়েছে বলে ক্রীড়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে।

ক্রীড়ামন্ত্রী মদন মিত্রর যুক্তি, কত ক্লাবকে আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে সে ব্যাপারে কোনও সুনির্দিষ্ট নীতি নেই। পরপর দুবছর কোনও ক্লাবকে অনুদান দেওয়া যাবে না এমন নিয়মও নেই বলে দাবি ক্রীড়ামন্ত্রীর।    
তবে সম্ভবত তার চেয়েও বড় প্রশ্ন টাকার অঙ্ক নিয়ে। আগে ক্লাবগুলিকে ৩০-৪০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হত। নতুন সরকার অনুদানের অঙ্ক বাড়িয়ে দুলক্ষ টাকা করেছে। ক্লাবের সংখ্যাও তিন গুণ হয়েছে। আর এজন্য বাজেট ১৬ কোটি টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৪০ কোটি টাকা। রাজ্য সরকারের টানাটানির সংসারে এই সিদ্ধান্তে যথেষ্ট বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে সব মহলেই।






Post Your Comment

Total Comments:5

This grant to different clubs is nothing but to purchase votes for T.M.C. with Govt money. What is the justification of distributing this huge amount of money without any Games & Sport policy? Mamata Banerjee has no right to waste public money in this unplanned way.

A vote buying tactics. TMC is in vote buying tactics right from day 1. It was unfortunate that our so called wisdom intellectuals failed to identify it. Give me a chance, I will sleep with leprosy patients if I can become a CM. What TMC did was nothing more and nothing less. Our intellectuals who were never in politics before is now coming up for their strategic gains and have put common people in danger. You guys lay off. We don`t want you to take decisions of our life.

Aei Taka Gulo To Sorasori Vot Kenar Jonno Dite Pare Na Tai Aei Poddhoti Te Vot Kenar Jonno Didi Diche.......

Aei Taka Gulo To Sorasori Vot Kenar Jonno Dite Pare Na Tai Aei Poddhoti Te Vot Kenar Jonno Didi Diche.......

Samne panchait vot tai natun kore club gulo ke hate ante hobe.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।