দুধ পুলি

Update: January 13, 2013 15:59 IST

পিঠে সিসনের ওপেনিং ব্যাটিংটা সবসময় দুধপুলিই করতে আসে। এই ওপেনারের `পিঠেয়` কেরিয়ার সচিন তেন্ডুলকরকেও লজ্জা দেবে। নতুন গুড় মেশানো দুধের মধ্যে নারকেল পুরের সাদা সাদা পুলি পিঠের সোহাগি সাঁতার চোখ আর মনকে তৃপ্ত তো করেই, তার সঙ্গে জিভের জন্য যে অ-সাধারণ স্বাদের জোগান দেয় তার সঠিক বর্ণনা বোধহয় শুধুমাত্র জিভের স্বাদকোরক গুলোর কাছেই লুকিয়ে থাকে।

কী কী লাগবে

দুধ-২ লিটার
খেজুর গুড়-আধ কাপ
চিনি-১ কাপ
ছানা-আধ কাপ
এলাচ-৩টে
নারকেল কোরা-আধ কাপ
সুজি-দেড় টেবিল চামচ
পেস্তা বাদাম-আধ কাপ
ঘি-১ টেবিল চামচ
সুগন্ধী আতপ চালের গুঁড়ো-২ কাপ

কীভাবে বানাবেন

কড়াইতে ঘি দিয়ে সুজি, নারকেল কোরা, পেস্তা বাদাম, ছানা ও অল্প গুড় দিয়ে ঢিমে আঁচে নাড়তে থাকুন। আঠালো হয়ে এলে নামিয়ে নিন। এবারে সামান্য নুন দিয়ে গরম জলে চালের গুঁড়ো মেখে নিন। মাখা থেকে ছোট করে লেচি বানিয়ে পুর ভরে পিঠার আকারে গড়ে নিন।

দুধ জ্বাল দিয়ে ১ লিটার করে নিয়ে চিনি, গুড় ও এলাচ মেশান। আঁচ একদম কমিয়ে নিয়ে আগে থেকে বানিয়ে রাখা পুলি দুধে ফেলুন। সিদ্ধ হয়ে গেলে নামিয়ে নিন।






Post Your Comment

Total Comments:1

good delicious dish

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।