মুর্সীর ফতোয়া, দ্বিধাবিভক্ত মিশর

Update: November 26, 2012 10:58 IST

প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুর্সির ফতোয়া কি যুক্তিযুক্ত? এই একটা প্রশ্নই এখন কার্যত দু`ভাগ করে দিয়েছে মিশরকে। প্রেসিডেন্টপন্থীদের মতে মুর্সির ডিক্রি আদতে প্রশাসনকে আরও মজবুত করবে। আর এই যুক্তিকে জোরালো করতে ইতিমধ্যেই পধে নেমে প্রচারও শুরু করে দিয়েছন তারা।

কিন্তু, রয়েছে বিরুদ্ধ মতও। মুর্সির ডিক্রিকে বাতিলের দাবিতে মিশরের রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ শুরু করেছেন বহু মানুষ। আর এই মিছিল-পাল্টা মিছিলের জেরেই ফের সংবাদ শিরোনামে মিশরের তাহরির স্কোয়ার।

গত শুক্রবার থেকে লাগাতার চলছে হিংসা। লাঠি-কাঁদানে গ্যাসেও দমানো যায়নি প্রেসিডেন্ট বিরোধী আন্দোলনকে।

গত বৃহস্পতিবার ডিক্রি জারি করে প্রেসিডেন্ট মুর্সি জানিয়ে দিয়েছেন, পরবর্তী নির্বাচনে সংসদ গঠন না হওয়া পর্যন্ত তাঁর সিদ্ধান্তকে মিশরের মাটিতে কোনওভাবেই চ্যালেঞ্জ করা যাবে না।  মিশরের কোনও আদালতই সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারবে না বলেও ডিক্রিতে ঘোষণা করেছেন মুর্সি। আগামী বছরের শেষদিকে ভোট হতে পারে মিশরে।





Post Your Comment

Total Comments:11

THIS IS VERY BAD. BELDANGA,MURSHIDABAD.

THIS IS VERY BAD. BELDANGA,MURSHIDABAD.

THIS IS VERY BAD. BELDANGA,MURSHIDABAD.

THIS IS VERY BAD. BELDANGA,MURSHIDABAD.

THIS IS VERY BAD. BELDANGA,MURSHIDABAD.

THIS IS VERY BAD. BELDANGA,MURSHIDABAD.

THIS IS VERY BAD. BELDANGA,MURSHIDABAD.

THIS IS VERY BAD. BELDANGA,MURSHIDABAD.

THIS IS VERY BAD. BELDANGA,MURSHIDABAD.

THIS IS VERY BAD. BELDANGA,MURSHIDABAD.

THIS IS VERY BAD. BELDANGA,MURSHIDABAD.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।