চিনের গুপ্তচর সন্দেহে ধৃত ৮

Update: June 13, 2012 10:45 IST

চিনের গুপ্তচর সন্দেহে ৮ জনকে আটক করল হিমাচলপ্রদেশ পুলিস। হিমাচলপ্রদেশের মান্ডি জেলার চাউন্ত্রা গ্রাম থেকে থেকে চর সন্দেহে এই ৮ জনকে ধরা হয়েছে। তাইওয়ানের নাগরিক এই ব্যক্তিরা কাঠের মিস্ত্রী হিসেবে কাজ করতেন। স্থানীয় এক তিব্বতী ধর্মগুরুর প্রাসাদসম মঠ এবং বাড়িতে ছিল এঁদের আস্তানা। সেই তিব্বতী ধর্মীয় গুরু এখন ফেরার। ধৃতদের কাছ থেকে নগদ ৩০ লক্ষ ভারতীয় টাকা, ৩,০০০ মার্কিন ডলার, ইন্টারন্যাশনাল এটিএম, বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন এবং ভারতীয় ও চিনা সিমকার্ড  উদ্ধার করেছে পুলিস। সন্দেহভাজন চিনা গুপ্তচরদের ব্যবহৃত ৪টি ছোট সিন্দুকও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিস। সেখানে মূল্যবান সামগ্রীও মিলেছে।

হিমাচল পুলিসের অতিরিক্ত ডিজি এস আর মার্ডি জানিয়েছেন, ধৃত ৮ জন তাইওয়ানের নাগরিকের বিরুদ্ধে ভিসা আইন লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে ভারতে থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে। কীভাবে চাউন্ত্রার মতো প্রত্যন্ত গ্রামে এই বিদেশিরা দলবদ্ধভাবে আস্তানা তৈরি করলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, গত বছরের জানুয়ারি মাসে ধরমশালায় স্বেচ্ছানির্বাসিত তিব্বতী ধর্মগুরু, সপ্তদশ কর্মাপা লামা উগিয়েন ট্রিনলে দোরজির সঙ্গে সাক্ষাত্‍ করতে আসা কয়েকজন ব্যক্তিকে চিনা গুপ্তচর সংস্থা এমএসএস-এর এজেন্ট সন্দেহে গ্রেফতার করেছিল হিমাচলের গোয়েন্দা বিভাগ। এরপর কর্মাপার নিয়ন্ত্রণাধীন একটি বৌদ্ধ মঠে তল্লাসি চালিয়ে বহু কোটি টাকার চিনা মুদ্রা উদ্ধার করা হয়। সম্প্রতি সর্বোচ্চ তিব্বতী ধর্মগুরু দলাই লামা অভিযোগ করেছিলেন, তাঁকে হত্যা করার জন্য গোপন ঘাতকবাহিনী নিযুক্ত করেছে বেজিং। এই পরিপ্রেক্ষিতে হিমাচলে তথাকথিত চিনা গুপ্তচরদের আটক হওয়ার খবরে যথেষ্ট চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে হিমাচলের তিব্বতী জনসমাজে।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।