সংশোধিত ভোটার তালিকা, শহরে উপ নির্বাচন কমিশনার

Update: October 17, 2011 14:20 IST

রাজ্যে গণবন্টন ব্যবস্থার দূর্ণীতি খতিয়ে দেখতে যে বিশেষ কমিটি গঠিত হচ্ছে তাতে নিজেদের যাবতীয় পরিকাঠামো দিয়ে সাহায্য করবে নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি, যে সমস্ত ভূয়ো রেশন কার্ড ইতিমধ্যেই রাজ্যের খাদ্য দফতর বাজেয়াপ্ত করেছে, সেগুলির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভোটার পরিচয়পত্র বৈধ কি না তাও খতিয়ে দেখবে কমিশন। আজ সকালে শহরে আসেন দেশের উপ নির্বাচন কমিশনার আলোক শুক্লা। চৌরঙ্গি রোডে কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টের অতিথিশালায় রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক সুনীল গুপ্তার সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেন তিনি। বৈঠকে ছিলেন সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত বিশেষ গণবন্টন পর্যবেক্ষক পি কে পট্টনায়ক এবং সমাজকর্মী অনুরাধা তলওয়ার। প্রথম বৈঠক শেষে মির্জা গালিব স্ট্রিটে খাদ্য ভবনে সকাল এগারোটায় দ্বিতীয় বৈঠকে বসেন তিনি। বিকেলে মহাকরণে মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে তার বৈঠক রয়েছে। সেই বৈঠকে
মূলত ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে কথা হবে বলে জানা যাচ্ছে।


Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।