ভারতের সামনে কঠিন টার্গেট খাড়া করল কুকবাহিনী

Update: January 11, 2013 13:14 IST

আজ ভারত-ইংল্যান্ড একদিনের সিরিজের প্রথম ম্যাচেই ভারতের জন্য বিশাল রানের টার্গেট খাড়া করল  ইংল্যান্ড। নির্ধারিত ৫০ ওভারে কুক বাহিনী মাত্র ৪ উইকেট খুইয়ে ৩২৫ রান করল। ওপেনিং জুটিতে ক্যাপ্টেন কুক আর বেল ইংল্যান্ডের ইনিংসের ভিত তৈরি করে দিয়ে যান। রাজকোটের সৌরাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েসনের স্টেডিয়ামে পাটা উইকেটে গোড়া থেকেই বড় রানের ইঙ্গিত ছিল। সেই ইঙ্গিত চিনতে ভুল করেননি কুকরা। পিচ এবং ভারতীয় বোলারদের খারাপ বোলিং-এর ধারাবাহিকতাকে সম্পূর্ণ কাজে লাগিয়ে প্রথম উইকেটে খেল ১৫৮ রান তোলেন। এরপর বেল ব্যক্তিগত ৮৫ রানে রানআউট হয়ে গেলেও ব্রিটিশদের রানের গতি থমকে যায়নি। পিটেরসনের সঙ্গে জুড়ি বেঁধে কুক দলের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন। রায়নায় বলে আউট হয়ে ব্যাক্তিগত ৭৫ রানের মাথায় যখন কুক প্যাভিলিয়ন মুখে দলের স্কোর তখন ৩১ ওভারে ১৭২। এরপর পিটেরসন ৪৪ ও মর্গ্যান ৪১ রান করে আউট হন। এরপর সমিত পাটেল ও কিওয়েসটারের মধ্যে অসাধারণ পার্টনারশিপের দৌলতে ব্রিটিশরা ৩০০ রানের গণ্ডি সহজেই পেরিয়ে যায়। পাটেল ২০ বলে ৪৪ ঝোড়ো রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন। ভারতের হয়ে অশোক দিন্দা ২টি ও সুরেশ রায়না একটি উইকেট পেয়েছেন।  

পাকিস্তানের কাছে ওয়ানডে সিরিজ হারের পর ভারতের সামনে এই সিরিজ ঘুরে দাঁড়ানোর। আর ইংল্যান্ডের কাছে সুযোগ টেস্ট সিরিজের পর ওয়ানডে সিরিজেও জিতে ভারতের মাটিতে সাফল্যের বৃত্তটা সম্পূর্ণ করা। এই সিরিজের প্রধান `ইউএসপি` আইসিসি র‌্যাঙ্কিং। ভারতীয় ক্রিকেটের এই ভরা দুর্দিনেও ধোনির সামনে দারুণ একটা সুযোগ। পাঁচ ম্যাচের এই সিরিজে সব কটা জিততে পারলেই র‌্যাঙ্কিং তালিকায় দু ধাপ উঠে শীর্ষে চলে যাবে ভারত। অন্যদিকে প্রস্তুতি ম্যাচের হারের ধাক্কা কাটিয়ে সিরিজ জয়ের জন্য প্রস্তুত ইংল্যান্ড। সব মিলিয়ে এই ওয়ানডে সিরিজ জমে যাওয়ার সব প্রেক্ষাপট তৈরি।

ভারতীয় দল: গৌতম গম্ভীর, আজিঙ্কা রাহানে, বিরাট কোহলি, যুবরাজ সিং, সুরেশ রায়না, এমএস ধোনি (অধিনায়ক), রবীন্দ্র জাদেজা, আর অশ্বিন, ভুবনেশ্বর কুমার, ইশান্ত শর্মা, আশোক দিন্দা।








Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।