ইপিএলে কলকাতা ডার্বির প্রতিচ্ছবি

Update: December 10, 2012 12:06 IST

কলকাতা ডার্বি একেবারে ফটোকপি হল ম্যানচেস্টার ডার্বিতে। তবে ম্যান ইউ বা ম্যান সিটি কেউই দল তুলে নেননি। কলকাতা ডার্বি ম্যাচে সমর্থকদের ছোঁড়া ইটে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রহিম নবি। আর কলকাতা ডার্বির কয়েক ঘন্টা পরে শুরু হওয়া ম্যানচেস্টার ডার্বিতে সমর্থকদের ইঁটের আঘাতে মাথা ফাটল রিও ফার্দিনান্দের।

তবে মোহনবাগানের মত ম্যান ইউ নিরাপত্তার কারন দেখিয়ে দল তুলে নেয়নি। তখন ম্যাচ শেষ হতে বাকি আর কয়েক মিনিট। ম্যান সিটির বিরুদ্ধে বদলার ম্যাচে ৩-২ এগিয়ে ম্যান ইউ।সঙ্গে সঙ্গে ফার্দিনান্দকে মাঠ থেকে বার করে নিয়ে আসা হয়।

Post Your Comment

Total Comments:1

They supporters of City did not throw brick-parts. Those kinda stuff are not available readily in England. They threw an 1 pound coin.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।