শুরু হয়ে গেল এষার বিয়ের অনুষ্ঠান

Update: June 25, 2012 18:41 IST

বছরের দ্বিতীয় হাই প্রোফাইল বিয়ের জন্য তৈরি বলিউড। রিতেশ-জেনেলিয়ার পর এবার গাঁটছড়া বাঁধছেন ড্রিমগার্ল তনয়া এষা দেওল। ২৯ জুন বিয়ে করছেন এষা। তার ৪ দিন আগে সোমবার থেকেই শুরু হয়ে গেল বিয়ের অনুষ্ঠান। আজ এষার সঙ্গীতের মহা অনুষ্ঠানে গোটা বি-টাউন জুড়েই সাজসাজ রব। আর হবে নাই বা কেন? হাজার হোক হেমার মেয়ের বিয়ে বলে কথা!

মুম্বইয়ের এক বিলাসবহুল রেস্তোরাঁয় সোমবার সন্ধেয় হবে এষার সঙ্গীত। পাত্র মুম্বইবাসী ব্যবসায়ী ভরত তখতানি। সঙ্গীতের জন্য এষা পছন্দ করেছেন রকি এস-এর ডিজাইন করা কমলা-লাল-আকাশি ঘাঘরা চোলি। সঙ্গীতের পর ২৮ জুন হবে মেহেন্দির অনুষ্ঠান। বলি টাউনের প্রথম সারির নারীবাহিনীর প্রায় সকলেই আমন্ত্রিত এষার মেহেন্দি অনুষ্ঠানে। মরসুমের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ওইদিনের জন্য আম রঙের পোশাক বেছেছেন এষা। তবে সঙ্গীত আর মেহেন্দিতে ডিজাইনার পোশাক পরলেও সনাতনী ভারতীয় শাড়িতেই গাঁটছড়া বাঁধবেন এষা। ওই বিশেষ দিনের জন্য চেন্নাই থেকে অর্ডার দিয়ে সোনালি কাজের লাল কাঞ্জিভরম আনিয়েছেন হেমার জেষ্ঠ্যা কন্যা। ভরতের বিয়ের পোশাক তৈরি করেছেন নীতা লুল্লা। বিয়ের পর ৩০ জুনের রিসেপশন পার্টিতে উপস্থিত থাকছে প্রায় গোটা বলিউড। অমিতাভ বচ্চন, সলমন খান, আমির খান, যশ চোপড়া, কাপুর খানদান থেকে শুরু করে বিপাশা বসু, জন অ্যাব্রাহাম, লারা দত্ত, মহেশ ভুপতি নিমন্ত্রিতের তালিকায় বাদ যাননি কেউই।

এই বছরেরই ১২ ফেব্রুয়ারি ভরতের সঙ্গে বাগদান হয়ে এষার। ২৯ জুন বিয়ের দিন ঘোষণাও করেন তখনই। নিজের বলিউড কেরিয়ারে সেরকম ছাপ ফেলতে পারেননি সুপারস্টার জুটির মেয়ে এষা। তবে মেয়ের বিয়ের দিনটিকে স্পেশ্যাল করে তুলতে কোন ত্রুটি রাখতে রাজি নন ধর্মেন্দ্র-হেমা। রিতেশ-জেনেলিয়ার বিয়ের পর এটা এই বছরের দ্বিতীয় বলিউড ওয়েডিং। এষার বিয়ে হয়ে গেলেই বিটাউন আঁটঘাঁট বেঁধে তৈরি হবে ১৬ অক্টোবরের জন্য। ওই দিনই যে বিয়ে করছেন সইফ-করিনা!







Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।