ইউরো কাপে জয়ী ফ্রান্স, ইংল্যান্ড

Update: June 16, 2012 09:33 IST

বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে আয়োজক ইউক্রেনকে ২-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল ফ্রান্স। প্রথম থেকেই বেনজিমাদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লড়াই চালাচ্ছিলেন সদ্যই গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়া ইউক্রেন তারকা শেভচেঙ্কো। লড়াই যখন জমজমাট,তখনই শুরু বৃষ্টি। বৃষ্টি থামলে শুরু `ফরাসি বিপ্লব`। ৫৩ মিনিটে মেনেজের গোল। ৩ মিনিট পরেই ক্যাবায়ের গোলে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে নেয় ফ্রান্স। দু`টি গোল করানোর পিছনে বড় ভূমিকা ছিল রিয়াল-তারকা বেনজিমার।খেলার অন্তিম প্রহরে শেভচেঙ্কোরা মরীয়া প্রত্যাঘাতের চেষ্টা চালালেও তাতে কোনও ফল মেলেনি। প্রথম ম্যাচে সুইডেনকে হারানোর পর এদিন ফরাসীদের কাছে বিধ্বস্ত হওয়ার কোয়ার্টার ফাইনালের পথ কিছুটা অনিশ্চিত হয়ে পড়ল ইউক্রেনের সামনে।

অন্যদিকে গ্রুপ সি`র অন্য ম্যাচে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে দুরন্ত জয় পেল ইংল্যান্ড! দায়িত্ব নেওয়ার পর ইংল্যান্ড কোচ রয় হজসনের সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্ট ছিল এই ইউরোই। আর ইউরোর দ্বিতীয় ম্যাচেই দল গঠনে চমক দেন হজসন। আপফ্রন্টে দীর্ঘদেহী ক্যারলকে এনে চমকে দেন সবাইকে। উঁচু বলে সুইডিশদের দুর্বলতার ফায়দা তুলতেই যে এই স্ট্র্যাটেজি,তার প্রমাণ পাওয়া গেল ম্যাচের ২৩ মিনিটেই। হেডে গোল করে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে নিয়ে যান সেই ক্যারলই। এরপর মাঠে শুরু সুইডিশদের দাপট। মাঠ জুড়ে শুধুই হলুদ জার্সির দাপট। প্রথমার্ধে সমতায় ফিরতে না পারলেও,দ্বিতীয়ার্ধে জনসনের আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যান ইব্রাহিমোভিচরা। ৫৯ মিনিটে সুইডেনকে এগিয়ে দেন মেলবার্গ। সুইডিশরা এগিয়ে যেতেই তেড়েফুঁড়ে শুরু হয় ইংলিশ ফুটবলের কামব্যাকের পালা। প্রায় বাতিল হয়ে যাওয়া ওয়ালকট ম্যাচে সমতায় ফেরান ইল্যান্ডকে। ম্যাচের ৭৮ মিনিটে ওয়ালকটের পাস থেকেই দুরন্ত গোল করে ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করেন ওয়েলব্যাক।

Post Your Comment

Total Comments:1

24ghanta live mobile tv pe q nahi ati hai ?

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।